আওয়ামী লীগ যে কথা বলে, সে কথা রাখেঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব নয়, কেননা দলটি জনগণের জন্য কাজ করে। সরকার পতনের চেষ্টার অংশ হিসেবে আগামীকাল বিএনপি-জামায়াত চক্রের দেশব্যাপী অবস্থান কর্মসূচির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “এখন আবার বলে ১১ তারিখ থেকে তারা আন্দোলন করবে। আবার তাদের সাথে জুটে গেছে অতি বাম, অতি ডান- সব এক ...

শেখ হাসিনা: গণতন্ত্রের মানসকন্যা ও পরিবর্তনের অগ্রদূত

তিনি জাতিকে নতুন এক আশা দিয়েছিলেন, সেই আশার নাম, রুপকল্প-২০২১। বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত করার সেই আশা। ২০১৮ সালে জাতিসংঘের উন্নয়ন কমিটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি স্বপ্ন দেখিয়েছেন সব বাংলাদেশীকে, এক ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন যেখানে সর্বাধুনিক তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি থাকবে। এবং স্বাধীনতার চার দশক পরে, যুদ্ধাপরাধীদের বি...

আওয়ামী লীগের পুনর্জন্ম: শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার উপাখ্যান

সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গত বছর (২০২১ সালে) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করেছে বাংলাদেশ। মহান বিজয়ের ৫০ বছর পেরিয়ে গত ২৬ মার্চ (২০২২) স্বাধীনতার ৫১তম বার্ষিকী উদযাপন করেছি আমরা, বিজয়ের ৫১তম (১৬ ডিসেম্বর, ২০২২) বার্ষিকী উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রের কাছ থেকে এখন স্যালুট পাচ্ছে বাঙালি জাতি। অথচ দেড় যুগ আগেও উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ, অব্যবস্থাপনা ও দু...

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের পুনর্জন্ম

একেএম এনামুল হক শামীম: আজ থেকে ৪১ বছর আগে ৬ বছর নির্বাসিত থেকে বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলায় আলোর মশাল হাতে কাণ্ডারি হয়ে স্বদেশের মাটিতে এসেছিলেন জাতির পিতার জ্যেষ্ঠকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনই পুনর্জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশের। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী আছেন বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। চার দশক আগে যদি শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নৌকার বৈঠা না ধরতেন, বাংলাদেশের নেতৃত্বে নিজেকে প্রত...

দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলামঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের জনগণের মুখে হাসি ফোটানোর একটি মাত্র লক্ষ্য নিয়ে তিনি নির্বাসিত জীবন থেকে দেশে ফিরেছেন। তিনি বলেন, দেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে আমি দেশে ফিরেছিলাম 'কারণ, এটা আমার বাবার (জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) স্বপ্ন ছিল।' প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি মিলনায়তনে জাতীয় অর্থনৈতিক ...

১৭ মে ১৯৮১: মুক্তির বার্তা নিয়ে এসেছিলেন তিনি

এম. নজরুল ইসলামঃ গ্রিক পুরাণের বীর চরিত্র প্রমিথিউস দেবতাদের কাছ থেকে আগুন উদ্ধার করে এনেছিলেন। তাঁকে প্রযুক্তি, জ্ঞানের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। তিনি সভ্যতা ও মানবতার প্রতিক। প্রমিথিউস তাঁর বুদ্ধিমত্তার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। গ্রিক পুরাণের গল্পটি আগে জানা যাক। অনেকদিন আগের কথা। অলিম্পাসের চ‚ড়ায় জিউসসহ যেসব দেবতার বাস ছিল, তাঁদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মাথা ...

আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর হয়ে এসেছিলেন তিনি

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের পুনর্জন্মের রূপকার আর বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার শেষ আশ্রয়স্হল। দীর্ঘ ১৮ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে না এলে ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হতো। তিনি ফিরে না এলে শোষণ ও বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের যে স্বপ্ন নিয়ে ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ মা-বোন আত্মত্যাগ করেছিলেন, তা সফল হতো না।

১৭ মেঃ শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ও বাঙালির স্বপ্ন ফিরে পাওয়ার দিন

কিছু কিছু প্রত্যাবর্তন ইতিহাসে লেখা থাকে। কারো কারো ফিরে আসা মহাকালের নিয়মে ঘটে। কোনো কোনো ব্যক্তির উপস্থিতিই হয়ে ওঠে পুরো জাতির জাতীয় জাগরণের আলোকবর্তিকা। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এমনই একজন ব্যক্তিত্ব, যার প্রত্যাবর্তনের সাথে সাথে ঝিমিয়ে পড়া বাঙালি জাতি অদম্য শক্তিতে জেগে ওঠে। হ্যাঁ, ১৯৮১ সালের ১৭ মে দিনটির কথা বলছি। প্রায় ছয় বছর নির্বাসন শেষে জননেত্রী শেখ হাসিনা ব...

১৭ মে: বাংলাদেশের আপন কক্ষপথে ফেরার দিন

সাইফুল্লাহ্ আল মামুন: উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে এক অপার বিস্ময়ের নাম। বাংলাদেশের সফলতা পর্যালোচনা করতে গেলে ১৯৮১ সালের ১৭ মের কথা আলোচনায় আনতেই হবে। কেননা ১৯৭৫ সালে জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের পর থেকে যে অন্ধকার দিনের শুরু, সেই অন্ধকারের পর্দা সরিয়ে এদিন বিদেশের মাটি থেকে দেশের মাটিতে ফিরে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু তনয়া, বাংলার গরিব, দুঃখী, অস...

জনস্রোতে শেখ হাসিনা

মালেকা বেগমঃ সেদিন রোববার ১৯৮১, ১৭ মে রাজপথে নেমেছিল মানুষের ঢল। পথের দুই ধারে মানুষের মিছিল, পথে ট্রাক, গাড়ি, হোন্ডার সারিবদ্ধ শোভাযাত্রা। পথের মানুষ আগেই জানে, শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন পর ঢাকায় আসছেন। বলাবলি চলছিল, ভালোই হয়েছে, রোববার অবসরের দিন, সময়টাও ভালো, বিকেলে শেরেবাংলার জনসভায় যাওয়া যাবে। রিকশাযাত্রীদের কথোপকথনে রিকশাওয়ালাও যোগ দেন, ‘দেইখ্যা...

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, ১৯৮১

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, ১৯৮১

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন: প্রাণ ফিরে পায় জাতি, গড়ে ওঠে নন্দিত বাংলাদেশের ভিত্তি

বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা, দেশের অভ্যন্তরীণ হাজারো প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে এখন বিশ্বের বুকে এক নতুন বাংলাদেশের আওয়াজ পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। তার হাত ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মহিমান্বিত হয়েছে বাঙালি জাতি, 'তলাবিহীন ঝুড়ি'র ইমেজ থেকে বাংলাদেশকে মুক্তি দিয়েছেন। স্বীয় সাহস, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের গুণে বিশ্বের বুকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা হিসেবে এখন তার পরিচিতি। কিন্তু এই পথপরিক্রমা...

৭ মে ২০০৭ঃ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় নতুন সংগ্রাম শুরুর দিন

এম. নজরুল ইসলাম:  বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি ঘটেছিল ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি। আবির্ভাব ঘটেছিল কথিত ওয়ান-ইলেভেনের। ২০০৭ সালে একটি চেপে বসা অপশক্তি সেই সময়ের বাস্তবতায় প্রবল প্রতাপে দেশ শাসন করে।গণতন্ত্র তখন রুদ্ধ। সেই চেপে বসা শাসকদের বিবেচনায় রাজনীতি তখন যেন ছিল গর্হিত অপরাধ। আর সে কারণেই রাজনীতিক পরিচয় দিতেও যেন অনেকে কুণ্ঠিত ছি...

৭ মে এর রাজনৈতিক তাৎপর্য

১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোটামুটি ভাবে গ্রহণযোগ্য থাকলেও বিএনপি'র সময়কালে প্রথমে প্রধান বিচারপতির বয়স বাড়ানো এবং পরবর্তীতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে একেবারে বিতর্কিত করে তুলে।

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ৭ মে

হত্যার প্রচেষ্টা ও হুমকির মধ্যেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। করোনাকবলিত হয়েও বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে এটা নিশ্চিত। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে সকল অশুভ শক্তির মোকাবেলা করতে হবে। সামনে বাধা এলে তা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবেলায় সচেষ্ট থাকতে হবে। ’৭১-এর পরাজিত শক্তিরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা ...

মহামানবের প্রত্যাবর্তন এবং স্বাধীনতার পরিপূর্ণতা

ড. প্রণব কুমার পাণ্ডেঃ ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। কারণ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি থাকার পর লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে দেশের পবিত্র মাটিতে ফিরে আসেন এই দিনে। বাংলাদেশে ফিরে আসার আগে, তিনি পাকিস্তানের কারাগারে ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি হয়েছিলেন, য...

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভাষণ নির্দেশিত আদর্শে দেশ চলবে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দিয়েছিলেন সেমতেই বাংলাদেশ চলবে। আর দেশের এই অগ্রযাত্রা যাতে কোনভাবে ব্যাহত না হয় সে বিষয়েও সকলকে সতর্ক করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে (পাকিস্তানের কারাগার থেকে) এসে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কিভাবে চলবে সেই নীতিনির্ধারণী বক্তৃতা ...

বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন ও নতুন দিনের অঙ্গীকার

ড. আতিউর রহমানঃ  এবারের দশই জানুয়ারি এক ভিন্ন মেজাজে পালিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এই দিবসে আমরা প্রবল উৎসাহে তার জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর আনন্দ দেশবাসীর সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছি। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দোসরমুক্ত হলেও আমাদের বিজয় সেদিন পূর্ণ হয়নি। যিনি বাংলাদেশের আরেক নাম সেই তিনি তখনো পা...

নতুন প্রজন্মের চোখে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন

তন্ময় আহমেদঃ  সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। ত্রিশ লাখ শহীদ ও চার লাখ নারীর ত্যাগের বিনিময়ে বিশ্বের মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করে আমাদের জন্মভূমি। সেই পৌষের পড়ন্ত বিকেলে বিজয়ের উত্তাপে শীতের অনুভূতি হারিয়ে ফেলে মানুষ। উল্লাসে ফেটে পড়ে জনগণ। তবে রাত পেরোনোর আগে...

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: স্বাধীনতার পূর্নতা

ইয়াসির আরাফাত-তূর্য: ‘‘চতুর্দিকে শোক, আহাজারি, ধ্বংসচিহ্ন, পোড়াগ্রাম, বিধ্বস্ত জনপদতিনি ফিরে আসলেন, ধ্বংসস্তূপের ভেতর ফুটে উঠল কৃষ্ণচূড়ামুকুলিত হ’ল অপেক্ষার শিমুলশোক থেকে জেগে উঠল স্বপ্ন, রক্তে বাজল দারুণ দামামাবেদনার অশ্রুরেখা মুছে ফেলে‘জয় বাংলা, জয় বাংলা’ ব’লে হেসে উঠললতাগুল্ম, ধূলিকণা, পরিপূর্ণ দীপ্ত পতাকা।’’(কব...