শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণীয় : বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণীয় : বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব

তারুণ্যের উচ্ছ্বাস

অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) ৫২ বছর বয়সী বাংলাদেশের বায়ান্ন যোগ চব্বিশ এই ছিয়াত্তর বছরের যে ইতিহাস, তা অনায়াসে হার মানায় অনেক রাষ্ট্রের সহস্র বছরের পরিক্রমাকেও। বছরের বারোটি মাসেই আমাদের রয়েছে এমনি একাধিক তারিখ, যা জাতি হিসেবে বাঙালি কিংবা রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্য অপরিসীম গুরুত্ববাহী। আর যদি মাসগুলোকে আলাদাভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়, তাহলে বাঙালি...

৭ মার্চের ভাষণ ‘বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পদ’

ড. জেবউননেছা: ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণ-আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা এবং ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক বিজয়ের সাক্ষী এ দেশের জনগণ। এরপর পশ্চিম পাকিস্তানিদের ক্ষমতার মসনদে আসীন হওয়ার লিপ্সার প্রতিবাদে বাংলার মানুষকে করে তুলেছিল অদম্য সাহসী। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠিত হয় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ। পশ্চিম পাকিস্তানিরা টানা নয়মাস হত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন ...

বঙ্গমাতা: বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের অতন্দ্র প্রহরী

শেখ ফজিলাতুন নেছা, ডাক নাম রেণু। বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে রেণু নামেই অসংখ্যবার সম্বোধন করেছেন তাকে। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শ্রেষ্ঠাঙ্গিনী, তার প্রাণপ্রিয় স্ত্রী। বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে সদাব্যস্ত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সংসারের প্রাণভোমরা এই বাঙালি গৃহবধূ ক্রমেই হয়ে উঠেছেন জাতিকে স্বস্তির ছায়াদানকারী আঁচলধারিণী। তিনি যেমন একহাতে নিজের সংসার সামলেছেন, ত...

৭ মার্চ, ১৯৭৬ : কেমন ছিলো সেই দিনটি?

অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল): ৭ মার্চ এখন ৫১’য়। সংগত কারণেই সারা দেশে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় উদযাপিত হচ্ছে ৭ মার্চ। আর এবারের ৭ মার্চের ঠিক আগ দিয়ে মন্ত্রিসভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানের জাতীয় স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি ৭ মার্চে অন্যরকম দ্যোতনা যোগ করেছে। ৭ মার্চে এই গৌরবকালে একটু ফিরে তাকানো যাক ১৯৭৬ সালের দিকে। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টিয়ে সে বছর...

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ: বাঙালির চিরঞ্জীব অনুপ্রেরণার মহাকাব্য

ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াঃ ‘স্বাধীনতা’ এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো! বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে উপজীব্য করে সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম খ্যাতিমান কবি নির্মলেন্দু গুণের ভাষায়- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রামএবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রামসেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।’ ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ রাজনীতির কবি জাতির পিতা বঙ্গ...

যে ভাষণ আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের স্মারক

বিভুরঞ্জন সরকারঃ ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রথম দিনেই স্পষ্ট হয়েছিল যে বাঙালি আর পাকিস্তানের সঙ্গে থাকতে রাজি নয়। জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণা বেতারে প্রচার হয়েছিল দুপুর ১টা ৫ মিনিটের খবরে। খবর শেষ হওয়ার পরই বিক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। স্লোগান ওঠে ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’। সত্তরের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করেছ...

কবিতার বীজমন্ত্র

এম নজরুল ইসলামঃ একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়েলক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছেভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে-কখন আসবে কবি?কখন আসবে কবি? কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতায় এভাবেই উঠে এসেছে শেষ ফাল্গুনের এক দৃপ্ত বিকেলের কথা। পাতাঝরার দিনে বাঙালী জাতির মনের একান্ত স্বপ্ন তুলে ধরেছিলেন তিনি। ১৯ মিনিটের অসাধারণ ও বহুমাত্রিক ছন্দম...

দুনিয়া কাঁপানো এক মহাকাব্যের গল্প

তোফায়েল আহমেদঃ ১৯৭১-এর ঐতিহাসিক সাতই মার্চ, এই দিনটির জন্যই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনভর সংগ্রাম করেছেন। দীর্ঘ ১৩টি বছর কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটিয়েছেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই তিনি লক্ষ্য নির্ধারণ করেন ‘একদিন বাংলার ভাগ্যনিয়ন্তা বাঙালীদেরই হতে হবে।’ সেই পথেই তিনি ধীরে ধীরে এগিয়ে গেছেন। মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদ...

ঐতিহাসিক ৭ মার্চঃ রাজনৈতিক কবির গাণিতিক যুক্তি

আনিস আহমেদঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিস্ময়কর এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব। আবেগ ও যুক্তির সমন্বয়ে গঠিত এমন একজন তুখোড় রাজনীতিক, যিনি যথার্থই জানতেন কখন কীভাবে কোন পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তার মধ্যে যেমন ছিল এক অসাধারণ আত্মবিশ্বাস, তেমনি ছিল অন্তর্নিহিত এক সারল্য। যে সারল্য অসময়ে তার সফল ও বর্ণাঢ্য জীবনের অকাল অবসান ঘটাল। কিন্তু ৫৫ বছরের এই জীবনে, সেই টুঙ্গিপাড়ার এক অজপা...

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ (রঙ্গিন সংস্করণ)

৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) সমবেত জনসমুদ্রে জাতির উদ্দেশে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর এই ভাষণ জাতিকে অনুপ্রাণিত করে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই ঐতিহাসিক ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।  পুর্ণাঙ্গ ভাষনটি নিম্নরূপ আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে ...

বঙ্গবন্ধুর হাতেই শুরু বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা

হীরেন পণ্ডিত: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন হয়ে ৯ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন। ১০ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করে যাত্রা করেন ঢাকার উদ্দেশে। বিমানটি তেজগাঁও বিমানবন্দর স্পর্শ করে বিকেল ৩টায়। সেখান থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ বাঙালির ভালোবাসা আর স্নেহের পরশ ভেদ করে পৌঁছাতে বঙ্গবন্...

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা

হীরেন পণ্ডিতঃ ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ লাখো মানুষের পদচারণায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শ্লোগানের শহর ঢাকা। রেসকোর্স ময়দানে জনসমুদ্রে অপেক্ষা করছেন দশ লাখের বেশি স্বাধীনতাকামী মানুষ। শুধু একটা ঘোষণা বা ডাকের অপেক্ষায়, আগের দিন সাড়ে সাত কোটি বাঙালি উত্তেজনায় নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন- বঙ্গবন্ধু আজ কী বলবেন- ক...

৭ মার্চের ভাষণ : পটভূমি ও তাৎপর্য

৫০ বছর আগে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ভাষণটি দিয়েছিলেন। ১০ লক্ষাধিক লোকের সামনে পাকিস্তানি দস্যুদের কামান-বন্দুক-মেশিনগানের হুমকির মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওই দিন বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ কী পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু সেই ইতিহাস বিখ্যাত ভাষণ দিয়েছিলেন? ১৯৭০-এর ৭ ডিসেম্...

৭ই মার্চের ভাষণের সামরিক দিক

মোহাম্মদ হাননানঃ ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে লাগাতার অসহযােগ আন্দোলনের প্রাক্কালে ৭ মার্চের আগেই ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ ৩রা মার্চ স্বাধীনতার কর্মসূচি নাম ও অন্যান্য প্রস্তুতি ঘােষণা করেন। এর মধ্যে ছিল- দেশের কী হবে, দেশের আয়তন ও ভৌগােলিক সীমানা, জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকার বিবরণ। একই সঙ্গে জারি করা হয়েছিল যুদ্ধের কতকগুলাে সামরিক ধা...

নিরস্ত্র বাঙালির সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তর হওয়ার প্রেরণা

তােফায়েল আহমেদ: সাত মার্চ এলেই মনে পড়ে ইতিহাসের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নয়ন জুড়ানাে স্বাধীনতার অমর মহাকাব্য পাঠের দৃশ্য। অমন দৃশ্যপট আর জাতির জীবনে আসেনি। আর কখনােই আসে না অমন গৌরবময় সােনালি দিন। সাত মার্চের বসন্তে জাতির হৃদয় জাতীয় মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উদ্বেলিত হয়েছিল, উত্তাল হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর ডাকে। অগ্নিঝরা ইতিহাসের উত্তাল মার্চ, অসহযােগ আন্...

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৭ মার্চ

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে অনেক আলোচনা পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ হয়েছে। এর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কিন্তু এই ভাষণের পর তৎকালীন বাঙালি জাতির ওপর কী প্রভাব পড়েছে বা মানুষ কীভাবে দ্রুত স্বাধীনতা কিংবা মুক্তিযুদ্ধের দিকে এগিয়ে গেছে, সেটি খুব আলোচনা হয়নি। তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছানো জরুরি। ১৯৭১...

বঙ্গবন্ধু বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জনক

হাশেম খানঃ বাংলাদেশ পৃথিবীতে এসেছে চিরকালীন স্থায়িত্ব নিয়ে। যে মানুষটি এ দেশের স্বাধীনতার জন্য নেতৃত্ব দিয়েছেন— তিনি শুধু এই বাংলাদেশের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের অধিকারের জন্যই রাজনীতি করেননি। তাঁর রাজনীতি সারা বিশ্বের নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষের জন্য প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ যে ভাষণ তিনি দিয়েছিলেন— আজ সারাবিশ্ব সেই ভাষণকে গুরুত্ব দিয়েছ...

জাতির প্রেরণার উৎস ৭ মার্চের ভাষণঃ মোজাফ্‌ফর হোসেন পল্টু

বাঙালির জাতীয় জীবনে মার্চ একটি অবিস্মরণীয় মাস। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সালাম, বরকত, রফিক ও জব্বারের জীবনদানের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে উন্মেষ ঘটেছিল তা চূড়ান্ত রূপ নেয় ’৭১ সালের এই মাসে। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে ’৫৪ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও তরুণ শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যুক্...

অনন্য উচ্চতায় পিতার যোগ্য কন্যাঃ মুহম্মদ শফিকুর রহমান

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ প্রিয় লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমার প্রিয় ব্যক্তিত্বের অন্যতম, যদিও তাঁর সঙ্গে আমার আলাপ নেই। দূর থেকেই তাঁকে ভালোবাসি। ভালোবাসি এ জন্যে যে, তাঁর মনোজগতে লাল-সবুজ পতাকা এবং মুখে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অকুতোভয় উচ্চারণ। তিনি আজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্বাধীনতা ও প্রগতিবিরোধী জঙ্গী অপশক্তি তাঁকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে আঘাত করেছে। আল্লাহ পাকের অশেষ কৃপায় তিন...

ছবিতে দেখুন

ভিডিও