বিশেষ নিবন্ধ

ছাত্রদলের সন্ত্রাস: ফ্রি কম্পিউটার না পেয়ে ব্যবসায়ীকে অপহরণ, চাঁদা না দেওয়ায় এতিমখানার কাজ বন্ধ

২০০১ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার পর  বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলোর ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস-নির্যাতন ও নারী শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা। সিলেট শাহজালার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে একজন ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ হয় ছাত্রদল নেতারা। পরে এই ঘটনায় সারা দেশ উত্তাল হলেও বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় সেই ধর্ষকের দল ক্যাম্পাসে অবস্থান কর...

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি বানচাল করতে নারী নেত্রীদের ওপর বোমা হামলা চালাতো বিএনপি সরকার

২০০১ সালের অক্টোবরে সরকারে যাওয়ার পর থেকে তিন বছরে দশ হাজারের বেশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা এবং র্নিযাতনের প্রতিবাদে গণঅনাস্থা কর্মসূচির ডাক দেয় আওয়ামী লীগ। কর্মসূচি সফল করতে সারাদেশের সব সহযোগী এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দল গোছানোর অংশ হিসেবে কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে টার্গেট করে করে বোমা হামলা শুরু করে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা। ২০০৪ সালের ...

খাস জমি দখল করে ব্যক্তিগত হাউজিং প্রকল্প করতে বিএনপির এমপিদের রাতভর তাণ্ডব

বিজয়ের মাস এলেই নাশকতা শুরু করে বিএনপি-জামায়াত চক্র। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে সাভার-আশুলিয়ার বস্তিতে ঘুমন্ত মানুষের ওপর হামলা, মারপিট ও অগ্নিসংযোগ করে আশুলিয়ার খাস জমি থেকে প্রায় এক হাজার পরিবারের বাড়ি ও ক্ষুদ্র ব্যবসা উচ্ছেদ করা হয়। সেই সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল নিয়ে আবাসন প্রকল্প করার জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সংসদ সদস্যরা নিজে দ...

বিএনপির গণতন্ত্রের নমুনা: আওয়ামী লীগের কর্মসূচি পণ্ড করতে ৭ দিনে ১০ হাজার নেতাকর্মীকে জেলে ঢুকায় খালেদার সরকার

২০০১ সালের অক্টোবরে সরকার গঠনের পর থেকেই দেশজুড়ে লুটপাট, চাঁদাবাজি, নির্যাতন শুরু করে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা। এমনকি সরকারের প্রথম দুই বছরেই সরকারি সম্পদ লুট, টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতির কারণে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে দেশের অর্থনীতি। লুটপাট ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করলে গণগ্রেফতার করা হয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের। এমনকি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চারপাশে কাটাতার দিয়ে ...

লুটপাট করে রাষ্ট্রের ১২৮ কোটি টাকা ক্ষতি করে খালেদা জিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু

২০০১ সালে সরকার গঠনের পর থেকেই সরকারি সম্পদ লুটপাট করতে শুরু করে বিএনপি নেতারা। বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পূর্তমন্ত্রী মির্জা আব্বাস এবং খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিস চৌধুরী যোগসাজশ করে একের পর এক সরকারি প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি এবং কোটি কোটি টাকা দামের বাড়ি নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে। রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ১৮টি সরকারি বাড়ি বিনা দরপত্রে সাজানো নি...

ছবিতে দেখুন

ভিডিও