সুভাষ সিংহ রায়ঃ ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর থেকে সবাই বলছেন পদ্মা সেতুর সফলতা শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। যেসব গণমাধ্যম সরকার ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছিল তারাই বরং এখন বেশি বেশি প্রশংসা করছে। সেই পত্রিকা এখন শিরোনাম করেছে, ‘স্পিডবোটে ২০০ ট্যাকার দিন শেষ হইতাছে ’ কিংবা ‘গুগলও ব্যস্ত পদ্মা সেতু বিষয়ক প্রশ্ন’। বিশ্বজয়ী বীর আলেকজান্ড...
অজয় দাশগুপ্তঃ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মহাকালের ব্যবধান ঘুচিয়ে দিলেন প্রমত্ত পদ্মার বুকে সেতু নির্মাণের মাধ্যমে। এক পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে তিনি বিশ্বব্যাংকের অন্যায় আচরণ প্রসঙ্গে আমাদের বলেছিলেন- এ ধরনের বাধা কিংবা চক্রান্তকে ভয় পাই না। আমার কাজ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন, সমগ্র দেশের উন্নয়ন। ইস্পাতের কাঠামোর কারণে ব্যয়...
ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসেনঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবন বাজি রেখে বাঙালীকে এনে দিয়েছেন মুক্তি-স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শ্রাবণের মেঘলা ভোরে ঘাতকের হাতে সপরিবারে শহীদ হওয়ার ক্ষণ পর্যন্ত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বাঙালী চিন্তা করেছেন তাঁর সন্তানতুল্য দেশ ও দেশের মানুষ নিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সূর্য ...
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারীঃ অবশেষে স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবে দৃশ্যমান হলো। ১০ ডিসেম্বর ৪১তম স্প্যানটি বসানোর সঙ্গে সঙ্গে দেশব্যাপী এ নিয়ে যে আনন্দের বহির্প্রকাশ ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রধানতম কারণ হলো বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সর্ববৃহৎ প্রকল্প পদ্মা সেতুর অবকাঠামো নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হওয়া। দেশি-বিদেশি অনেকের কাছেই এটি এক সময় অবিশ্বাস্য ছিল কারণ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই সেতু ...
আলী হাবিব: এভাবেই বিজয়ডঙ্কা বাজে, রচিত হয় ইতিহাস। বিশ্বমানের অবকাঠামো হিসেবে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতু। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে বাঙালি জাতি দেখিয়ে দিয়েছিল। ২০২০ সালে সেই বিজয়ের মাসেই বাঙালি আবার দেখিয়ে দিল, আমরাও পারি। অপার সম্ভাবনার বাংলাদেশে সমৃদ্ধ আগামীর যে স্বপ্ন দেখা হয়েছিল একদিন, অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে সেই স্বপ্ন সত্যি হওয়া সময়ের ...