বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্ট দুটি আলাদা তারিখ হলেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক স্মৃতিতে এ দুটি দিন গভীরভাবে পরস্পর যুক্ত। একটি দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল, আর অন্য দিনে তাঁর কন্যা, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালা...
একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্মলগ্ন মানেই কেবল ভৌগোলিক সীমানার অর্জন নয়; আসল চ্যালেঞ্জ শুরু হয় স্বাধীনতার ঠিক পর মুহূর্তে—যখন নীতি প্রণয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি স্থাপন এবং একটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত জাতিকে পুনর্গঠনের প্রশ্ন সামনে আসে। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ যখন বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নেয়, তখন চারদিকে ছিল কেবল ধ্বংসস্তূপ, অর্থনৈতিক শূন্যতা আর বিপুল মানবেতিহা...
বছর ঘুরে আবার ১৫ আগস্ট ফিরে এসেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় এক গভীর ক্ষত এবং বেদনাবিধুর স্মৃতির দিন। ১৯৭৫ সালের এই কালরাত্রিতে আমরা হারিয়েছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের নৃশংসভাবে নিহত সকল সদস্যকে। ইতিহাসের এই নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডে শহীদ হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামা...
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট—বাঙালি জাতির দীর্ঘ সংগ্রাম ও হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কিত, ভারী এবং গভীর শোকাবহ এক কৃষ্ণপক্ষ। এদিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে এক পৈশাচিক ও নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ডে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। যে মানুষটি নিজের পুরো জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন এই বাঙালি জা...
১৫ আগস্ট, ১৯৭৫। ভয়ংকর পৈশাচিক একটি দিন। এই দিনে শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর ইতিহাসে লেখা হয়েছিল জঘন্যতম নিষ্ঠুরতার সবচেয়ে কালো এক অধ্যায়। অতি ভয়ংকর সেই নিষ্ঠুরতায় হতবাক হয়েছিল দেশ ও জাতি। বেদনার্ত হয়েছিল পুরো বিশ্ব। এই দিনে বাঙালি জাতির প্রিয় নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নিজের জীবনের সর্বস্ব উজার করে দিয়েছি...
১৫ আগস্ট, ১৯৭৫। ভয়ংকর কালো একটি দিন। এই দিন ইতিহাসে লেখা হয়েছিল নিষ্ঠুরতার সবচেয়ে কালো এক অধ্যায়। অতি ভয়ংকর সেই নিষ্ঠুরতায় হতবাক হয়েছিল দেশ ও জাতি। বেদনার্ত হয়েছিল পুরো বিশ্ব। এই দিনে বাঙালি জাতির প্রিয় নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নিজের জীবনের সর্বস্ব উজার করে দিয়েছিলেন বাঙালি জাতির কল্যাণে। বাঙালির অধিকা...
শোকের মাস আগস্ট মাস। এই মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে ইতিহাসের ভয়াবহতম হত্যাকাণ্ড ও নারকীয় গ্রেনেড হামলা। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধূর শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, ...
হীরেন পণ্ডিত: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি না জন্মাতেন, তাহলে স্বাধীন বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্ম কি হতো? এর একটিই মাত্র জবাব 'না'। বঙ্গবন্ধু তাঁর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা সম্পর্কে কিছু কথা বলতেন বিভিন্ন সময় প্রিয়জন ও ঘনিষ্ঠ সাংবাদিকদের। বলতেন তাঁর পরিকল্পনার কথা। অনেকে বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করতেন, আপনি ক্ষমতায় কতদিন থাকবেন। এই প্রশ্ন শুনে বঙ্গবন্ধু হেসে বলতেন, &ls...
১৯৭৫ সালের শুরু থেকেই সামরিক ও বেসামরিক কিছু সন্দেহভাজন ব্যক্তির সঙ্গে উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে। এমনকি সিনিয়র অফিসাররা সন্ধ্যায় সেনানিবাসের যেখানে লন টেনিস খেলতেন, খেলা শেষ হওয়ার পর সেই টেনিস কোর্টে নিয়মিত আড্ডা দিতে শুরু করে শৃঙ্খলাজনিত কারণে চাকরিচ্যুত মেজর নুর ও মেজর ডালিম। আগস্ট মাসে সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউল্লাহ বিষয়টি জানতে পেরে চ...
নৃশংস কায়দায় ও ইতিহাসের বর্বরোচিত উপায়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার জন্য বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা খন্দকার মোশতাককে দায়ী করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় জাতীয় শোক দিবসে (১৫ আগস্ট) এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক...
শেখ হাসিনাঃ তখনও ভোরের আলো ফোটেনি। দূরের মসজিদ থেকে আজানের ধ্বনি ভেসে আসছে। এমন সময় প্রচণ্ড গোলাগুলির আওয়াজ। এ গোলাগুলির আওয়াজ ঢাকার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ি ঘিরে, যে বাড়িতে বসবাস করেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এক বিঘা জমির উপর খুবই সাধারণ মানের ছোট্ট একটা বাড়ি। মধ্যবিত্ত মানুষের মতই সেখানে বসবাস করেন দেশের রা...
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুননেছা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্ণেল জামিল উদ্দিন আহমেদ, প্রায় একই সময়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যু...
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫ সালে যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছিল তারাই জেল হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে, যা একটি সংরক্ষিত স্থান। জাতির পিতার খুনি ছিল জিয়া ও মোশতাক এবং তারাই এই হত্যাকাণ্ড (জেল হত্যা) ঘটিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদে এক অনির্ধারিত আলোচনায় এসব কথা বলেন...
যে কোনো হত্যাকাণ্ডের বিচারের দায়িত্ব রাষ্ট্র নিলেও বাংলাদেশে জাতির পিতার হত্যার বিচারই আটকে দেওয়া হয়েছিল, যা বিশ্ব ইতিহাসেই বিরল। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর খুনিদের রক্ষায় একটি অধ্যাদেশ জারি করেন ‘স্বঘোষিত’ রাষ্ট্রপতি খোন্দকার মোশতাক আহমেদ। পরে জিয়াউর রহমান ক্ষমতা নিয়ে সংবিধান সংশোধন করে খুনিদের রক্ষার পর পথটি স্থায়ী করার প্র...
১৫ আগস্ট প্রাণ দিয়েছেন যারা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেসব দেশ মানবাধিকার বিষয়ে সবক দেয় বা প্রশ্ন তোলে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তারাই বঙ্গবন্ধু ও নারী-শিশুসহ তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে এদের কাছ থেকে আমাদের মানবাধিকারের সবক নিতে হয়। যারা আমার বাবা, মা, ভাই, নারী-শিশুদেরকে হত্যা করেছে তাদেরকে তারা রক্ষা করে।’ তিনি আ...
কাওসার রহমানঃ মৌলভী শেখ আবদুল হালিম মর্মান্তক সংবাদটা শোনেন ১৫ আগষ্ট সকালে রেডিওতে। রেডিওতে ঘোষণা করা হয়, স্বৈরাচারী শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘোষণা শুনে সমগ্র দেশবাসীর মতো তিনিও স্তম্ভিত হয়ে যান। হতভম্ব হয়ে পড়েন, তার কাছে মনে হয় এ যেন অবিশ্বাস্য ঘটনা। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই বিষাদ মাখা কোন অনাকাক্ষিত ইস্যু। পরদিন (১৬ আগষ্ট) দুপুর ১২টার সং...
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর এ হত্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়। ওই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলতুন্নেছা মুজিব ছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনসহ নিহত হন আরও ২৬ জন। এদের মধ্যে যারা রয়েছেন: শেখ কামালবঙ্গবন্ধুর বড় ছেলেজন্ম: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৫ই ...
ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ: বছর ঘুরে আবার ফিরে এসেছে আগস্ট। এই মাসটি বাঙালির কাছে শোকের মাস হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে আমরা হারিয়েছি বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এদিন ভোররাতে ঘাতকের বুলেটে প্রাণ বিসর্জন দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাত...
১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুননেছা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, ধানমন্ডির বাসায় কর্তব্যরত এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামি...