১৫ আগস্ট প্রাণ দিয়েছেন যারা

১৫ আগস্ট প্রাণ দিয়েছেন যারা

যারা মানবাধিকারের সবক দেয় তারাই বঙ্গবন্ধুর খুনীদের আশ্রয় দিয়ে রেখেছেঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেসব দেশ মানবাধিকার বিষয়ে সবক দেয় বা প্রশ্ন তোলে এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তারাই বঙ্গবন্ধু ও নারী-শিশুসহ তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে এদের কাছ থেকে আমাদের মানবাধিকারের সবক নিতে হয়। যারা আমার বাবা, মা, ভাই, নারী-শিশুদেরকে হত্যা করেছে তাদেরকে তারা রক্ষা করে।’ তিনি আ...

বঙ্গবন্ধুর দাফনের অজানা গল্প

কাওসার রহমানঃ  মৌলভী শেখ আবদুল হালিম মর্মান্তক সংবাদটা শোনেন ১৫ আগষ্ট সকালে রেডিওতে। রেডিওতে ঘোষণা করা হয়, স্বৈরাচারী শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘোষণা শুনে সমগ্র দেশবাসীর মতো তিনিও স্তম্ভিত হয়ে যান। হতভম্ব হয়ে পড়েন, তার কাছে মনে হয় এ যেন অবিশ্বাস্য ঘটনা। বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই বিষাদ মাখা কোন অনাকাক্ষিত ইস্যু। পরদিন (১৬ আগষ্ট) দুপুর ১২টার সং...

১৫ আগস্ট কালরাতে শহীদ হয়েছিলেন যারা

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর এ হত্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়। ওই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলতুন্নেছা মুজিব ছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনসহ নিহত হন আরও ২৬ জন। এদের মধ্যে যারা রয়েছেন: শেখ কামালবঙ্গবন্ধুর বড় ছেলেজন্ম: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৫ই ...

চিরঞ্জীব মুজিব

ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ:  বছর ঘুরে আবার ফিরে এসেছে আগস্ট। এই মাসটি বাঙালির কাছে শোকের মাস হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে আমরা হারিয়েছি বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এদিন ভোররাতে ঘাতকের বুলেটে প্রাণ বিসর্জন দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাত...

ষড়যন্ত্রময় আগস্ট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুননেছা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, ধানমন্ডির বাসায় কর্তব্যরত এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামি...

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অপপ্রচার করেও তাঁর জনপ্রিয়তা কমাতে পারেনিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জাতির পিতা হত্যাকান্ড ইতিহাসের একটি কলংকজনক অধ্যায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যাঁদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জাতির পিতা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন আপনজন হিসেবে বাবাকে যেজন্য তাঁরা কাছে পাননি সেই বাঙ্গালিদের হাতেই কেন জাতির পিতাকে জীবন দিতে হলো সে প্রশ্নের উত্তর আজো খুঁজে ফেরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে শোকবহ আগস্টের প্রথম দিনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির ...

১৫ আগস্টঃ ইতিহাসের অন্ধকারতম অধ্যায়

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্টের কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত হন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুননেছা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্ণেল জামিল উদ্দিন আহমেদ, প্রায় একই সময়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যু...

৭৫-এর হাতিয়ার বলতে কী বোঝাতে চায় বিএনপি

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে বর্বরভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এই আকস্মিক আঘাতে স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের কাজ থমকে যায়। এরপর একই বছরের ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় জেলখানায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় চার নেতাকে। এরপর ৭ নভেম্বর সেনানিবাসেও বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে সেই খুনি চক্রটি। নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযু...

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ ও জিয়ার রাষ্ট্রদ্রোহিতা

শ ম রেজাউল করিমঃ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বিশ্ব ইতিহাসে ঘৃণ্য কালো আইন নামে সমধিক পরিচিত। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথে নিকৃষ্ট অন্তরায় হিসেবে আবর্তিত হওয়া জগদ্দল পাথর। একটি স্বাধীন দেশে জাতির পিতার নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের পথ বন্ধ করে দেয়া পঙ্কিল অধ্যায়। একের পর এক সংবিধান লঙ্ঘনের কলঙ্কিত দলিল। পৃথিবীর আর কোন দেশে এমন কালো আইন ছিল না এবং নেই। প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন, ...

১৯৮৩ সালে সাপ্তাহিক চিত্রবাংলায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানার সাক্ষাৎকার

১৯৮৩ সালে সাপ্তাহিক বিচিত্রায় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ রেহানার সাক্ষাৎকার

১৫ আগস্ট; ফিরে দেখা

ড. আব্দুল জব্বার খাঁনঃ খন্দকার মোশতাকের সরকার বা বিচারপতি সায়েমের সরকার কোনোটিই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা মেনে গঠিত হয়নি। সংবিধান মতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর দায়িত্বভার উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের কাছে অর্পিত হওয়া উচিত ছিল। তা না করে সামরিক ব্যাকআপে খুনী চক্রের অন্যতম সহযোগী খন্দকার মোশতাক রাষ্ট্রপতি এবং হাস্যকরভাবে প্রথম বেসামরিক প্র...

বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ ও কিছু আত্মজিজ্ঞাসা!

সজল চৌধুরী: ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২। বেলা আড়াইটা। আকাশে ঝকঝকে রোদ। কমেট বিমানের চাকা স্পর্শ করল তেজগাঁও বিমানবন্দরের রানওয়ে। উপচে পড়া ভিড় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে একনজর দেখার জন্য। তারপর সেখান থেকে সরাসরি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। মঞ্চহীন ট্রাকের ওপর দাঁড়িয়ে সেদিন স্বাধীন দেশের লাখ লাখ মানুষের সামনে উচ্চারণ করলেন দেশ-মানুষের প্রতি তার ভালোবাসার কথা, অঙ্গীকারের কথা। তখনও ...

জিয়ার নাম কোথায়?

অজয় দাশগুপ্তঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম এবং আরও কয়েকজন নেতা যথার্থই বলেন– ‘কারও ভাষণে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি।’ ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্র ক্ষমতার প্রভাব-প্রলোভন-হুমকি কাজে লাগিয়ে গঠিত হয়েছিল বিএনপি নামের দলটি। এই দল গঠনের কয়েকদিন পর আমি চাঁদপুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। দশকের পর দশক আমজনতার স্বার্থ নিয়ে রাজনীতি করেছেন, নির্যাতন...

বঙ্গবন্ধু হত্যায় বহিঃশক্তি না থাকার ধারণা অস্বাভাবিকঃ মার্ক টালি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শক্তির সংযোগ না থাকার ধারণাকে অস্বাভাবিক হিসাবে উল্লেখ করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক স্যার মার্ক টালি। মঙ্গলবার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) আয়োজিত আলোচনায় যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্ক ট...

যে আদর্শে বাবা দেশ স্বাধীন করেছেন সে আদর্শ বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দেবঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ব্যক্তিগত চাওয়া কিংবা জীবনের মায়া, এর কোনোটির দিকে না তাকিয়ে দেশবাসীর জন্য কাজ করে যাওয়ার ‘প্রতিজ্ঞা’ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, “আমার জীবনের কোনো মায়া নেই। আমার কিছু চাওয়ার নেই। আমার একটাই চাওয়া, যে আদর্শ নিয়ে আমার বাবা এদেশ স্বাধীন করেছেন, তার সেই আদর্শ বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দেব। এটাই আমাদের প্রতিজ্ঞা।” জাতী...

বঙ্গবন্ধু এখন আরও শক্তিশালী

ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ: বছর ঘুরে আবারও এসেছে আগস্ট। আগস্টকে আমরা শোকের মাস বলি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। আমরা একই সঙ্গে হারিয়েছি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকেও। সেই সময়ে আমরা আরও হারিয়েছি বঙ্গবন্ধুর পুত্র, পুত্রবধূ এবং তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ স্বজনদেরও। তাই আগস্ট আমাদের কাছে শোকাবহ। &rsq...

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র

শাহরিয়ার রিয়াজ: মুজিব হত্যার প্রেক্ষাপটে যে কয়টি বিদেশি শক্তি দৃশ্যপটে এসেছে তারমধ্যে পাকিস্তান, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ। পরাজিত শক্তি পাকিস্তান যে প্রতিশোধ নিতে চাইবে এটা তো নিশ্চিত। আর সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে যে দেশটি সেটা হলো প্রেসিডেন্ট নিক্সনের যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের জয় তাদের জন্য অপমানজনক ছিল। কেননা বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের ...

১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর জেনারেল জিয়া বলেন, সো হোয়াট? লেট ভাইস প্রেসিডেন্ট টেক ওভার

অন্যান্য দিনের মতোই রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট রাত ৮টা নাগাদ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফেরেন। খাওয়া-দাওয়া শেষে রাত ১২টার মধ্যেই সে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে যায়। তখন সে বাড়ির নীচতলায় একটি কক্ষে কর্মরত ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী এ এফ এম মুহিতুল ইসলাম। রাত তিনটা নাগাদ ঘুমাতে যান মি. ইসলাম। এর কিছুক্ষণ পরেই সে বাড়িতে টেলিফোনের দা...

বঙ্গবন্ধু হত্যাঃ লন্ডনে গঠিত তদন্ত কমিশনের প্রাথমিক রিপোর্ট

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা এবং ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিনা বিচারে অন্তরীণ থাকাকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম (উপ-রাষ্ট্রপতি), তাজউদ্দীন আহমদ (প্রথম প্রধানমন্ত্রী), মনসুর আলী (প্রধানমন্ত্রী) এবং কামারুজ্জামান (শিল্পমন্ত্রী এবং দলের প্রাক্তন সভাপতি)- এই চার জাতীয় নেতা হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচ...