রাজশাহীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ

৩রা নভেম্বর জেল হত্যা দিবসে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করা হয়েছে। দিবসটিতে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবর্ক অর্পণ, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এ.এইচ.এম কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও মানবভোজ বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী...

জেলহত্যা দিবস: সারাদেশে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও জাতীয় চার নেতার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা জাতীয় চার নেতাকে ১৯৭৫ সালের এ দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর র...

কারাগার যখন অনিরাপদ, কান্না যেদিন রক্ত

অজয় দাশগুপ্তঃ আজকের প্রজন্ম সেভাবে ইতিহাস জানে না। এ দীনতা যতোটা তাদের, ততোটাই আমাদের লজ্জা। আমরা তখন যৌবনের শুরুতে , বাংলাদেশে ঘটে চলেছে একের পর এক হত্যাকাণ্ড। তাও রাষ্ট্রের মসনদ নিয়ে। ক্যু এর পর ক্যু। কে যে কখন গদিতে বসবে তার কোনও দিশা পাওয়া যাচ্ছিল না। ক্ষমতার পালাবদলের আগেই ঘটছিল নারকীয় সব ঘটনা। পঁচাত্তর সালের ১৫ই অগাস্ট বাংলাদেশের বাঙালির জীবনে নিকৃষ্টতম...

১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতায় জেলহত্যা

অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান ঃ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড কোনো সাধারণ অভ্যুত্থানের ঘটনা ছিল না। এটি ছিল জাতীয় চেতনাকে ধ্বংস করা বা দেশকে পুনরায় পিছিয়ে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত চক্রান্তের অংশ। এই একই চক্রান্তের ধারাবাহিকতায় সংঘটিত হয় ৩ নভেম্বরের জেল হত্যাকাণ্ড। এসব হত্যাকাণ্ড কোন...

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতীয় চার নেতা

তোফায়েল আহমেদঃ জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারারুদ্ধ থাকাকালে বা তার অবর্তমানে জাতীয় চার নেতা- সর্বজন শ্রদ্ধেয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এএইচএম কামারুজ্জামান বারবার জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গভীর পরিতাপের বিষয় সমগ্র বিশ্বে যে কারাগারকে মনে করা হয় সবচেয়ে নিরাপদ স্থান সেই ক...

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের ওয়েবিনার ৪ নভেম্বর

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতীয় ৪ নেতাকে ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই বেদনাবিধুর জেল হত্যা দিবস ও জাতীয় ৪ নেতার স্মরণে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজন করতে যাচ্ছে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা। কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু এমপির সভাপতিত্বে আ...

জেলহত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতি আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের শ্রদ্ধা

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও জাতীয় চার নেতার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এবং বনানী কবরস্থানে জাতীয় তিন নেতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ...

৩রা নভেম্বর: কলঙ্কিত এক প্রহর

অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদঃ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর গোটা দেশের মানুষ শোকে মুহ্যমান। পিতৃহত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই জাতিকে সাক্ষী হতে হয় আরেকটি কলঙ্কজনক ঘটনার। যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ও ন্যাক্কারজনক হিসেবে বিদিত। ১৫ আগস্টের বেদনাদায়ক অধ্যায়ের আড়াই মাস পর তৎকালীন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (বর্তমান...

রেখে গেল একরাশ স্মৃতি

এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ৩ নবেম্বর সকালেই আমরা বাবার মৃত্যু সংবাদ পাই। মা অত্যন্ত ভেঙ্গে পড়েন। অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে যে মানুষটি কখনও হতোদ্যম হননি, সেই মানুষটিই বাবার মৃত্যু সংবাদে কেমন মুষড়ে পড়েন। এ সময় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী আর আত্মীয়-স্বজনে ভরে যায় আমাদের বাড়ি। মা চাচ্ছিলেন বাবার লাশটা রাজশাহীতে এনে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করতে। কিন্তু খুনীদের দোসররা ত...

বাবার সঙ্গে আর দেখা হলো না

(লেখাটি ২০১৯ সালে প্রকাশিত) মোহাম্মদ নাসিম: ১৯৬৬ সাল। তখন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে এইচএসসির ছাত্র ছিলাম। ভুট্টা খাওয়ার বিরোধিতা করে ওই অঞ্চলের জনগণ তীব্র আন্দোলনে নেমেছিল। সেই আন্দোলনে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে আমাকেও নেতৃত্ব দিয়ে হয়েছিল। আন্দোলনের এক পর্যায়ে বাবা এম মনসুর আলীসহ পাবনার অনেক নেতাকর্মীর সঙ্গে আমিও গ্রেফতার হয়ে...

আগস্টে বাবার বিষণ্ণ মুখ

সিমিন হোসেন রিমিঃ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সকালবেলা আমার ঘুম ভেঙেছিল প্রচণ্ড গুলির শব্দে। ঘর থেকে বের হয়ে দেখি- বাবা তাজউদ্দীন আহমদ, মা জোহরা তাজউদ্দীনসহ পরিবারের সবাই বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন। আমাদের সাত মসজিদ রোডের সেই বাসা। আমরা বুঝতে পারছিলাম না, কী ঘটছে। বাবাকে খুব অস্থির দেখাচ্ছিল। তিনি নানান জায়গায় ফোন দিচ্ছিলেন, কিন্তু কেউ ফোন তুলছিল না। সকালের আলো ফুটতে ...

হে স্বদেশ ফের সেই কথা জানালাম...

সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপিঃ পঁচাত্তর-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে ৩ নভেম্বরের জেলহত্যা সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ও কলঙ্কময় অধ্যায়। জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংসতার পর এই জেল হত্যাকাণ্ড বিশ্ববিবেককেও স্তম্ভিত করে দেয়। এদিন মহান মুক্তিযুদ্ধের চার কাণ্ডারি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে যাঁরা স্বাধীনতা যুদ্ধকে দৃঢ়তার সঙ্গে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সেই চার মহান জাতীয় নেতাকে সভ্যতার ইতিহাস লঙ্ঘন ...

বিশ্বমানবতার ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা ৩ নভেম্বরের জেল হত্যা

এম. নজরুল ইসলাম: দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ গৌরব এই স্বাধীনতায় কিন্তু পরাজিত শক্তি থেমে থাকেনি। সদ্য স্বাধীন দেশে নানা রকম চক্রান্ত চালিয়ে যেতে থাকে। অবশেষে আসে ১৯৭৫ সাল। ১৫ই আগস্ট রাতে সেনাবাহিনীর একটি অংশের সহায়তায় কিছু ‘বিপথগামী’ সেনা সদস্যকে দিয়ে সপরিবারে হত্যা করা হয় জাতির...

জেলহত্যা দিবসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যত কর্মসূচি

জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করছে আওয়ামী লীগ। প্রতিবারের ন্যায় এবারও আওয়ামী লীগ সমগ্র বাঙালি জাতির সাথে সশ্রদ্ধচিত্তে যথাযথ মর্যাদা ও বেদনার সাথে শোকাবহ এ দিবসটিকে স্মরণ ও পালন করবে এবং এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে জেলহত্যা দিবসে সীমিত পরিসরে নানা কর্মসূচি পালিত হবে। কর্মসূচিতে আওয়ামী...

জেলহত্যাঃ বাঙালি জাতির ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায়

৩ নভেম্বর, বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেক কলঙ্কিত দিন রক্তক্ষরা জেলহত্যা দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের যে কয়টি দিন চিরকাল কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে, তার একটি ৩ নভেম্বর। যে কয়েকটি ঘটনা বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত অর্জনের পথে বাধা তৈরি করেছে, তার মধ্যে অন্যতমটি ঘটেছিল ১৯৭৫ সালের এই দিনে। বাঙালী জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করতে ৪৩ বছর আগে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয়...

ইতিহাসের পাতায় জাতীয় চার নেতা

ড. মো. হাসিবুল আলম প্রধান শোকাবহ ১৫ আগস্টের পর ৩ নবেম্বর বাঙালী জাতির জন্য একটি শোকের দিন, বেদনার দিন। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট ঘাতকরা মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে বাঙালী জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছাসহ তাঁর পরিবারের প্রায় সকল সদস্য ও অনেক নিকটাত্মীয়কে নির্মমভাবে হত্যা করে। মীর...

জাতীয় চার নেতার সংক্ষিপ্ত জীবনী

আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান(১৯২৬-১৯৭৫) - ১৯২৬ সালের ২৬ জুন নাটোর মহকুমার বাগাতীপাড়া থানার নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - ১৯৪৬ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স পাশ করেন এবং রাজশাহী আইন কলেজ হতে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। - ১৯৫৭ সালে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠি...

তাজউদ্দীন আহমদের অর্ন্তদৃষ্টি

বাহরাম খানঃ পৃথিবীর আর কোন সরকার প্রধানকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য প্রধানমন্ত্রী হতে হয়েছে জানা নেই। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে সেই বন্ধুর পথে হাঁটতে হয়েছিল। স্বাধীনতা ঘোষণার ঠিক পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বন্দি করে পাকিস্তানি জান্তা। তাঁর ডাকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধে জাতি তখন নেতৃত্বহারা। মহাসংকটে তাজউদ্দীন আহমদ যে অকল্পনীয় যোগ্যতা...

তাজউদ্দীন আহমদের কাছে ঋণ

শুভ কিবরিয়াঃ  তাজউদ্দীন আহমদ (১৯২৫-১৯৭৫) তখনো কলেজ স্টুডেন্ট। তার পরের বছর তিনি ইন্টারমিডিয়েট পাস করছেন। কিন্তু পুরোদস্তুর রাজনীতিতে নিমগ্ন। ঢাকায় মুসলিম লীগের প্রগতিশীল অংশের মূল চক্রের একজন তখন তিনি। আবার নিজ এলাকা কাপাসিয়ায় পূর্ণোদ্যমে যুক্ত সামাজিক কাজে। ঢাকা-কাপাসিয়া নিত্য যাতায়াত। এরকম এক দিন ৩ নভেম্বর ১৯৪৭, সোমবার। এই বছরের আগস্টেই ধর্মের ভিত্তিতে দ...

মরার আগে কেউ মারতে পারবে না: তাজউদ্দীন

হাকিম মাহি: ‘আমি দেশের জন্য এমনভাবে কাজ করবো, যেনো দেশের ইতিহাস লেখার সময় সবাই এ দেশটাকেই খুঁজে পায়, কিন্তু আমাকে হারিয়ে ফেলে।’ উক্তিটি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা তাজউদ্দীন আহমদের। সত্যি আজ তিনি নেই, কিন্তু বাংলাদেশ আছে। তাকে হারিয়ে ফেলেছি সেই ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর। এই সৎ ও মেধাবী রাজনীতিবিদ ন্যায়-নিষ্ঠতার জন্...

  • «
  • »