কঠিন কাজটি যিনি সহজ করে দিলেন

314

Published on জুলাই 27, 2021
  • Details Image

অজয় দাশগুপ্ত:

‘আমার ক্যারিয়ার রাজনীতি নয়, আইটি নিয়ে’- বাংলাদেশের তরুণ–তরুণীদের একটি দলের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় এ মন্তব্য করেছিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খ্যাতিমান বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় একাধিক শ্রোতা প্রশ্ন করেছিলেন– ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদান নিয়ে কী বলা যাবে? উত্তর এসেছিল এভাবে– “ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্লোগান নয়, বাস্তব।” করোনাভাইরাস সংক্রমণের কঠিন সময় পাড়ি দিতে রাষ্ট্র ও সমাজ এবং ব্যক্তি পর্যায়ে অনেক সমস্যার সমাধান দিচ্ছে তথ্য–প্রযুক্তি। বাংলাদেশ এই কঠিন দুর্যোগেও আর্থ–সামাজিক উন্নতির ধারা বজায় রাখতে পেরেছে তথ্য–প্রযুক্তির অভাবনীয় বিকাশের কারণে।

যে বাংলাদেশ এটা পারছে, তা বঙ্গবন্ধুর সৃষ্টি। যে বাংলাদেশ এখন উন্নত বিশ্বের সারিতে আসন নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে, তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এ ক্ষেত্রে তথ্য–প্রযুক্তি বিপুল অবদান রেখে চলেছে। তিনি অকপটে স্বীকার করছেন– তথ্য–প্রযুক্তির যে অগ্রগতি বাংলাদেশে, তার পেছনে রয়েছে পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিঃস্বার্থ অবদান। ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রে সে তথ্য–প্রযুক্তির শিক্ষা অর্জন করেছে। বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে। তার অর্জিত জ্ঞানভাণ্ডার তুলে দিয়েছে বাংলাদেশের হাতে। আর এ জন্য রাষ্ট্র্রীয় কোষাগার থেকে একটি পয়সাও ব্যয় করতে হয় না।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আলোচনায় আরও একটি বিষয় এসেছিল এভাবে– ১৯৬৭ সালে শেখ হাসিনার যখন বিয়ে হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী। তাকে ফাঁসিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার আয়োজন ছিল চূড়ান্ত পর্যায়ে। কিন্তু এ ভূখণ্ডের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন নয়নের মণি। তিনি সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামী লীগ সভাপতি। স্বায়ত্তশাসনের ঐতিহাসিক কর্মসূচি ৬ দফা দেওয়ার কারণে তিনি অবিসংবাদিত নেতা। তার মুক্তির দাবিতে দিকে দিকে স্লোগান উঠছে– ‘জেলের তালা ভাঙব, মুজিব ভাইকে আনব’। তার মেধাবী, উদ্যমী ও গুণী কন্যার জন্য বড় ব্যবসায়ী কিংবা উচ্চপদে আসীন পাত্রের অভাব ছিল না। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব বেছে নিয়েছিলেন একজন বিজ্ঞানীকে। কেন?

এ প্রশ্নের উত্তর আমরা পাই জয় এর বাবা ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’ গ্রন্থেই। তিনি লিখেছেন,

হাসিনা আমাকে বিয়ের পরপরই জানায়, সিএসপি অফিসার, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, ব্যবসায়ীসহ কয়েকজনের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব আসে। কিন্তু সেগুলো নাকচ করা হয়। ‘এরপর আসে তোমার সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব। …তাছাড়া তুমি একজন পরমাণু বিজ্ঞানী জেনে মনে মনে আমি বেশ খুশিও হয়েছিলাম।’ [পৃষ্ঠা ৩৫]

ডা. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনার সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ অভিযাত্রার প্রাণপুরুষ, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য–প্রযুক্তি খাতের উপদেষ্টা। তার জন্মের সময়টিতে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব প্রদানের কারণে ফাঁসির দণ্ড দেওয়ার আয়োজন চলছে। নানী ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং পিতা–মাতা, খালা ও এক মামা পাকিস্তানের নিষ্ঠুর সেনাদের কঠোর পাহারায় ধানমণ্ডির একটি বাড়িতে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। অপর দুই মামা শেখ কামাল ও শেখ জামাল মুক্তি বাহিনীর সদস্য হিসেবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে সম্মুখ সারির দুঃসাহসী যোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্মের সময় ও পরের কয়েকটি দিন মা ও সদ্যোজাত শিশুটি যেন উপযুক্ত চিকিৎসাসেবা না পায়, সেজন্য পাকিস্তানি সেনা ও গোয়েন্দারা হেন অপচেষ্টা নেই যা করেনি।

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা সে সময় স্বামী–পুত্র–কন্যা এবং বোন শেখ রেহানাসহ জার্মানিতে থাকায় প্রাণে বাঁচেন। যে ঘাতকরা ১০ বছরের শেখ রাসেলকে হত্য করেছে তারা ৫ বছরের সজীব ওয়াজেদ জয়কে হাতের কাছে পেলে একই পরিণতির দিকে ঠেলে দিত, সেটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মা শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে যে বাংলাদেশে ফিরে আসেন ঝড়ের খেয়ার মাঝি হিসেবে, সে দেশটি ছিল খুনিদের নিয়ন্ত্রণে। তারা শেখ হাসিনাকে নিজ বাসভবনে এবং মিছিল–সমাবেশে বার বার হত্যার চেষ্টা চালায়। এমন দুঃসহ পরিবেশেই সজীব ওয়াজেদ জয়ের বেড়ে ওঠা।

কিন্তু তার পরম সৌভাগ্য, বেড়ে ওঠার পরিবেশ যতই কঠিন হোক পিতা–মাতার কাছ থেকে সুশিক্ষা পেয়েছেন। সততা–নিষ্ঠা এবং দেশকে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা– এ সব শিক্ষা পেয়েছেন ঘরেই। বাংলাদেশের সমান বয়স তার। একের পর এক ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি কখনও।

আরও একটি বিষয় বলতেই হয়– ব্যক্তি কিংবা পরিবারেও কারও বিরুদ্ধে অন্যায়–অনিয়ম–দুর্নীতির কালো দাগ পড়তে দেননি তিনি। মাকে জয় দেখেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে, যিনি তিন দফায় জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। চার বার নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। জনবহুল, অর্থনীতি ও সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশটিকে তিনি এগিয়ে নিয়ে চলেছেন উন্নত বিশ্বের সারিতে। বিশ্বে তিনি নন্দিত নেতা, সততা ও নিষ্ঠার প্রতীক। দেশের জনগণ তার ওপর আস্থা–ভরসা রাখে, যে কোনও সমস্যার সমাধান তিনি দিতেই পারবেন– এটাই কোটি কোটি নারী–পুরুষের বিশ্বাস। তার পুত্র হিসেবে নিজেকে সব ধরনের বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা সহজ কাজ নয়।

সজীব ওয়াজেদ জয় দল বা অঙ্গ সংগঠনের কাজে নিজেকে যুক্ত করেন না, প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করেন না। কোনো তদবির–সুপারিশে সামান্যতম সংশ্লিষ্টতাও কেউ দেখেন না। কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায় না। আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য হিসেবে গর্বিত– কেবল এতেই তুষ্ট তিনি। এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “নিজের দক্ষতা দিয়ে দেশকে সেবা করতে পারছি- এ রকম সুযোগ অনেকে পায় না।” (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটক, অগাস্ট ২০১৩]

আইটির মধ্যেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ দেখছেন। তার বাবা-মাও এটাই চেয়েছিলেন। এর সুফল বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছে। এক সময় দেশটিকে ব্যঙ্গ–বিদ্রুপ–তাচ্ছিল্য করে বলা হতো ‘বাস্কেট কেইস’। বঙ্গবন্ধু এসব মন্তব্যের মোক্ষম জবাব দিতে ওয়াশিংটনকেই বেছে নেন।

ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’ গ্রন্থে লিখেছেন,

১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে ‘ওয়াশিংটনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, কেউ কেউ বাংলাদেশকে ‘ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেইস’ বলে উপহাস করেন। কিন্তু বাংলাদেশ ‘বাস্কেট কেইস’ নয়। দুই শ বছর ধরে বাংলাদেশকে লুট করা হয়েছে। বাংলাদেশের সম্পদেই শ্রীবৃদ্ধি করা হয়েছে লন্ডন, ডান্ডি, ম্যাঞ্চেস্টার, করাচি, ইসলামাবাদের। …আজো বাংলাদেশে অফুরন্ত সম্পদ রয়েছে। একদিন আমরা দেখাবো বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। [পৃষ্ঠা ১৯০]

বাংলাদেশের অফুরন্ত সম্পদের খাত একটি নয়, অনেক। এখন প্রায় ৫ কোটি ছাত্রছাত্রীর দেশ বাংলাদেশ। প্রতি বছর যত শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় (যার অর্ধেক ছাত্রী), বিশ্বের শতাধিক দেশ আছে যেগুলো লোকসংখ্যাও তত নেই। এদের হাতে তথ্য–প্রযুক্তির অনন্য হাতিয়ার তুলে দিতে মায়ের পাশে সর্বশক্তি দিয়ে দাঁড়িয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তথ্য–প্রযুক্তির বিশাল কর্মযজ্ঞে জড়িত অনেকেই এখন বলছেন– বাংলাদেশ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীরা উন্নত বিশ্বে চলে যাবে, এটাই ছিল নিয়তি। এখন স্লোগান উঠছে রিভার্স ব্রেনডেন, অর্থাৎ যে মেধাবীরা চলে গেছে এবং বিশ্বের নানা প্রান্তে নিজেদেরকে শ্রম–সাধনায় প্রতিষ্ঠা করেছেন তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা। এ জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আর এটা করা সম্ভব হলে নতুন প্রজন্মের কিশোর–তরুণ–তরুণীরাও দেশ ছেড়ে যাবে না। সজীব ওয়াজেদ জয় এ কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

করোনাকালে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েনি, এর স্বীকৃতি দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। জাতিসংঘও সেটা বলছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশও বলছে। রপ্তানি বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি। রেমিটেন্স রেকর্ড পরিমাণে আসছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলার ছুঁই ছুঁই। বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে ঘরে ঘরে। খাদ্যের হাহাকার নেই। ঝড়–বন্যা–করোনার মধ্যেও বছরে চার কোটি টনের বেশি খাদ্যশস্য এখন বাংলাদেশে। এর প্রতিটি ক্ষেত্রে রয়েছে তথ্য–প্রযুক্তির অবদান।

স্বাস্থ্যসেবায় তথ্য–প্রযুক্তি, শিক্ষাতেও। আদালতের কাজে ডিজিটাল সুবিধা ব্যবহার হচ্ছে। ভ্যাকসিন নিবন্ধন চলছে এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে। কোথায় হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা মিলবে, সেটা জানতে পারা যায় মুহুর্তেই। টেলিমেডিসিন এখন জনপ্রিয় মাধ্যম। সুদূর চরাঞ্চল থেকেও এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের হতদরিদ্র পরিবারের সদস্যরা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকা কিংবা এমনকি লন্ডন–ওয়াশিংটন–দিল্লি–সিঙ্গাপুরে অবস্থানকারী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারছেন।

শিক্ষা ব্যবস্থা করোনাকালে বিপর্যস্ত, সন্দেহ নেই। কিন্তু আমি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস ও পরীক্ষা নিচ্ছি জুম–প্রযুক্তি ব্যবহার করে। নিজের গ্রামে গিয়ে ওয়াইফাই সুবিধা ব্যবহার করে টেলিভিশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেছেন, হাতে হাতে ছড়িয়ে পড়া স্মার্ট ফোন কত তথ্যই না মানুষকে প্রতিনিয়ত জোগান দিচ্ছে। ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে গ্রামের মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু। বলা যায়– যা চাই, তাই পাই অতি সহজে।

অনেক শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করে জেনেছি– স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন খুলবে, তথ্য–প্রযুক্তির ওপর প্রবল চাপ বাড়বে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই চাইবে কেবল প্রতিষ্ঠানের ভেতরে নয়, শিক্ষক–শিক্ষার্থী সবার জন্য এ সুবিধা নিশ্চিত করতে। করোনা আমাদের নজর প্রসারিত করে দিয়েছে। গ্রামের স্কুল–কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বুয়েট বা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সেরা শিক্ষকের ক্লাসে হাজির থাকতে পারবে অতি সহজেই।

করোনাকালে ব্যবসা–বাণিজ্যে তথ্য–প্রযুক্তির বিস্তর ব্যবহার হয়েছে। অনলাইন বাণিজ্য এখন গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত। এ বিপর্যয়ের কারণে যেমন চাকরি হারানো কিংবা উপার্জন কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে, তেমনি নতুন নতুন কর্মসংস্থানেও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠছে বাংলাদেশে। করোনা তাদের শিখিয়েছে প্রযুক্তির অপার সম্ভাবনা। তারা আগামী এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াবে, নিশ্চিত করেই বলতে পারি। আর এজন্য তাদের চাই বিপুল সংখ্যক দক্ষ কর্মী। এর জোগান মিলবে বাংলাদেশ থেকে এবং বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের মেধাবী প্রজন্মের কাছ থেকে।

এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই কিন্তু মঙ্গল–ছোঁয়া রয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়ের। কঠিন কাজ তিনি সহজ করে দিয়েছেন এবং সেটা করেছেন আর্থিক ও সামাজিক সক্ষমতা নির্বিশেষে সবার জন্য। তিনি নিজেকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবেন, জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে এটাই প্রত্যাশা রাখি।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত