আমার বাবার ছেলেবেলা- শেখ রেহানা | বঙ্গবন্ধুর শৈশব

261

Published on 17th মার্চ 2021 23:57

বাংলাদেশ আজ ১৭ মার্চ-২০২১ বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম শুভ জন্মদিন উদযাপন করেছে।

রাজধানীর একটি স্কুলের জাতির পিতার জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদরের ছোট মেয়ে শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাঁর অমূল্য কিছু স্মৃতি শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন ।

টুঙ্গিপাড়ার শ্যামল পরিবেশে শেখ মুজিবের জীবন কাটে দুরন্তপনা করে। মধুমতির ঘোলাজলে গ্রামের ছেলেদের সাথে সাঁতার কাটা, দল বেঁধে হা-ডু-ডু, ফুটবল, ভলিবল খেলায় তিনি ছিলেন দস্যি বালকদের নেতা। তখন কে জানত এই দস্যি বালকদের নেতাই একদিন বিশ্বনেতা, বাঙালি জাতির পিতা হবেন?

শৈশব থেকেই খোকা ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী। গ্রামের মাটি ও মানুষ তাকে যেমনটা আকর্ষণ করতো, তেমনি তিনিও গ্রামের মাটি ও মানুষকে ভালোবেসেছিলেন পরম মমতায়। পক্ষান্তরে তাকেও সবাই আপন সন্তানের মতো বিশ্বাস করতো ও ভালোবসতো।

দশ বছর বয়সেই তিনি নিজের গায়ের জামা খুলে অন্যকে দান করে কিশোর শেখ মুজিব, এ যেন মানবতার অনন্য উদাহরণ । শিশুকাল থেকেই শেখ মুজিব ছিলেন পরোপকারী ও অন্যায়ের প্রতিবাদী। মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দেখলেই তিঁনি যেমন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেন, তেমনি কোনো অন্যায় অবিচার দেখলেই প্রতিবাদ করতেন।

একবার তার গ্রামের চাষিদের ফসল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকদের অনেক বাড়িতেই দু’বেলা ভাত রান্না বন্ধ হয়ে যায়। সারা গ্রামেই প্রায়-দুর্ভিক্ষাবস্থা । কিশোর মুজিব এ রকম পরিস্থিতিতে কিছু করার জন্য তিনি ছটফট করছিলেন। পরে নিজের পিতাকে তিনি তাদের গোলা থেকে বিপন্ন কৃষকদের মধ্যে ধান বিতরণের জন্য অনুরোধ জানালেন। তাদের নিজেদের ধানের মজুদ কেমন, এই অনুরোধ তার বাবা রাখতে পারবেন কিনা, সেসব তিনি ভাবেননি। কৃষকদের বাঁচিয়ে রাখার চিন্তাটিই ছিল তখন তার কাছে মুখ্য।

ঠিক এরকমই ছিলেন আমাদের জাতির পিতা, তাঁর বেড়ে ওঠা নিয়ে আরও অনেক আজানা কথা জানতে দেখুন শেখ রেহানার পুরো বক্তব্যটি। ভিডিওটির শেষে আপনাদের জন্য একটি সুন্দর চমক রয়েছে।
দেখুন শেষ মিনিট পর্যন্ত ।

ছবিতে দেখুন

ভিডিও