রাজশাহী মহানগরের দলীয় কার্যালয়ে শেখ রেহানা'র জন্মবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা'র ছোট বোন শেখ রেহানা'র ৬৫তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিল...

নিভৃতচারী ছোট আপা

ডা. নুজহাত চৌধুরীঃ   ১৯৭৫ সালের মধ্যভাগে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা যখন গিয়েছিলেন বড় বোন শেখ হাসিনার কাছে জার্মানিতে, দেশে রেখে গিয়েছিলেন পিতামাতা, ছোট্ট রাসেলসহ মায়াভরা এক পরিবার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াল রাতে ঘাতকরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ তার গোটা পরিবারকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে। বাবাকে হারিয়ে হঠাৎ করে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেন বঙ্গবন্ধুর ...

শেখ রেহানা: এক প্রেরণাদায়ী সহচর

খায়রুল আলমঃ একজন সাধারণের মতই জীবনযাপন করেন বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা। যেন একদম সাদাসিধে একজন নারী । চরিত্রে কখনও আদিখ্যেতা কিংবা অহংকার মনোবৃত্তি পোষণ করেননি। দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন নীরবে নিভৃতে। সংগ্রাম করে যাচ্ছেন জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে। সুযোগ্য মায়ের যোগ্য উত্তরসূরি তিনি। মা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব পর্দার অন্তরালে থেকে বঙ্গবন্ধুকে দিয়েছিলেন সাহস ও ...

শেখ রেহানা ॥ দুুঃখকষ্টের জীবন- তবু মাথা নোয়াবার নয়

মুহম্মদ শফিকুর রহমান:   ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ি। সামনে ছোট্ট লন। দুর্বা ঘাসে ভরা, যেন মখমলের গালিচা বিছানো। এখানে ক্রিকেট ম্যাচ হতো ভাইবোনে। ভাইয়ের হাতে থাকত ব্যাট আর বোনের হাতে বল। বোন বল করত ভাই ব্যাটিং। বোন বোলিং করল- ভাই এমনভাবে ব্যাট চালাল যে বল লন ছাড়িয়ে বাউন্ডারি ওয়ালের ওধারে চলে গেল। ভাই এমনভাবে উল্লাস করতে থাকল যে, বোনের মনে কিছু...

শোকাহত হৃদয়ের ভাব

শেখ রেহানাঃ ১৫ আগস্ট আমাদের কাছে এক শোকাবহ স্মৃতি। বেদনার্ত অশ্রুভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আমাদের সবসময় কাটে। মা-বাবা, ভাই ও প্রিয়জন হারানোর এই দুঃখ-কষ্ট, অভাববোধ আমাদের সবসময় তাড়া করে। আমাদের আবেগাচ্ছাদিত করে রাখে। ১৯৭৫ থেকে ২০১৪- এই ৩৯ বছর ধরে লালন করে চলেছি আপনজনদের স্মৃতি। এক-এক করে দিন কেটে যাচ্ছে। সময়ের পরিবর্তনে আমাদেরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। অনেক কথা...

শুভ জন্মদিন: শেখ রেহানা ‘নিজেরে দীন নিঃসহায় যেন কভু না জানো’

এম. নজরুল ইসলামঃ   রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান তিনি। বেড়ে ওঠা রাজনীতির আবহে। জন্মের পর থেকেই দেখে এসেছেন, বাড়িতে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের আসা-যাওয়া। স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক অঙ্গনের মানুষদের সঙ্গে তাঁর নিত্য ওঠাবসা। কিন্তু নিজে এড়িয়ে চলেন সব ধরণের রাজনৈতিক যোগাযোগ। নিজে সবসময় থাকেন আড়ালে। এই আড়ালচারিতা তাঁর মাহাত্ম্যকে একটুও ম্লান করেনি। বরং পাদপ্রদীপের ...

দিল্লিতে আমাদের নামও পরিবর্তন করতে হয়েছিল

শেখ রেহানাঃ  সেই সময়ে আমাদের পরিবার সকাল বেলায় আব্বা বাইরে থেকে মর্নিং ওয়াক করে আসতেন। আমাদের ৩২ নম্বরের যে বারান্দাটা আমরা ওখানে, আব্বা ইজি চেয়ারে আর সব মোড়ায়। টোস্ট বিস্কুট চা নিয়ে আমরা সবাই খবরের কাগজ পড়ে যার যার স্কুল-কলেজে যেতাম। এই জিনিসটা আমরা ওই যে একটা পরিবেশের মধ্যে বড় হওয়া। ওখান থেকে আর বের হইনি। কামাল ভাইয়ের সবচেয়ে প্রিয় ছিলাম আমি। মায়ে...

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দাবি করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রথম সভা ও পরের কিছু ঘটনা

এম. নজরুল ইসলামঃ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে, সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে। আর এর পর থেকেই দেশজুড়ে এক দমবন্ধ করা পরিবেশ। স্তম্ভিত জাতি তখন দিকনির্দেশনাহীন। সামরিকতন্ত্রের বুটে পিষ্ট গণতন্ত্র। সুযোগ বুঝে দলের স্বার্থন্বেষী গোষ্ঠী তখন ঘাতকদের সঙ্গে আঁতাত করে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ব্যস্ত। বাকস্বাধীনতা ছিল না ...

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রথমবার বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিঃ এম নজরুল ইসলাম

ইতিহাসের এক কলঙ্কিত দিন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ঘটনার আকস্মিকতায় সেদিন জাতি ছিল স্তম্ভিত, দিক-নির্দেশনাহীন। দলের অনেকেই তখন ঘাতকদের সঙ্গে আঁতাত করে ক্ষমতার ভাগাভাগিতে ব্যস্ত। সামরিকতন্ত্রের বুটে পিষ্ট গণতন্ত্র। বাকস্বাধীনতা ছিল না দেশে। বঙ্গবন্ধুকে হঠাৎ করে হারিয়ে গোটা জাতি এমন শোকাহত ও বিমূঢ় হয়ে গিয়েছিল যে, কোনোরূপ ...

  • «
  • »