বাঙালি জাতির জন্য আত্মোৎসর্গ করে গেছেন বঙ্গবন্ধু : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পরাধীন বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ থেকে মুক্ত করার কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু। বাঙালি জাতির জন্য আত্মোৎসর্গ করে গেছেন বঙ্গবন্ধু। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্...

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পাকিস্তানের জেলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাচেষ্টা

পাকিস্তানি বর্বর জান্তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তাক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় অর্জন করে বাঙালি জাতি। লাল-সবুজের কেতন ওড়ে বাংলার মাটিতে। একদিকে ত্রিশলক্ষ শহীদের লাশের স্তূপ, চার লক্ষাধিক নির্যাতিত মা-বোনের আহাজারি; অন্যদিকে পাকিস্তানি দানবদের হাত থেকে বাংলার মাটি ও সাত কোটি মানুষের চির মুক্তি; হাজার বছরের শৃঙ্খলভাঙার উল্লাসে যখন ঢাকা পড়ে ...

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে গ্রামগুলো পরিপূর্ণ হোক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নে

সজল চৌধুরীঃ  বঙ্গবন্ধু তার মৃত্যুর কিছুকাল আগে বাংলাদেশের গ্রাম উন্নয়নের ভাবনা সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বপ্নের পরিকাঠামো এবং ব্যবস্থাপনার স্বরূপ উপস্থাপন করে গিয়েছিলেন। স্বাধীনতার ৫০ বছরের দ্বার প্রান্তে এসেও আমরা আজও অধীর অপেক্ষায় আছি সেই স্বপ্ন পূরণের বাস্তবতায় তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। বঙ্গবন্ধু তাঁর দীর্ঘ জীবনমুখী সংগ্রামের...

কেমন ছিল লাখো শহীদের রক্তে রাঙানো মহাবিজয়ের সেই দিন

পঞ্চাশ পেরোনো বাংলাদেশে ইতিহাসের সেই অগ্নিসাক্ষীদের সংখ্যা কমে আসছে ক্রমেই। আজও যারা নতুন প্রজন্মের মাথার ওপর ছায়া হয়ে আছেন, তাদের স্মৃতিতে বাঙালির সেই বিজয়লগ্ন জীবনের আর সব কিছুর চেয়ে দামী। “এই আবেগটা বলে বোঝানো মুশকিল। ঢাকা শহর কিন্তু প্রায় বিরান শহর ছিল। কিন্তু যে যেখানে ছিল রাস্তায় বেরিয়ে আসছে, বিজয় উল্লাসের সঙ্গে বেদনাটাও ছিল,” বলছিলেন মুক্তিয...

বঙ্গবন্ধু ও সুমহান বিজয়

তোফায়েল আহমেদঃ  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রিয় মাতৃভূমিকে হানাদারমুক্ত করে ৩০ লাখ শহীদ আর দুই লক্ষাধিক মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে মহত্তর বিজয় আমরা অর্জন করি। স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন সামনে নিয়ে দীর্ঘ ২৪ বছর কঠিন সংগ্রাম পরিচালনা করে ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। আমাদের পরম সৌভাগ্য, ইতিহাসের মহামানব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ...

সারেন্ডার অ্যাট জমজম এয়ারপোর্ট

জাহাঙ্গীর আলম সরকারঃ  বাঙালি জাতির জাতীয় ইতিহাসে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শ্রেষ্ঠ অর্জন। দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্বে একাত্তরের নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীনতা, অবসান ঘটে পাকিস্তানি দুঃশাসনের। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পাকিস্তানি বাহিনী মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করলে বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অত্মপ্রকাশ করে। ঢাকার...

গৌরবময় বিজয় ও স্বপ্নের বাংলাদেশ

আব্দুর রহমানঃ  স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর চলছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে গৌরবময় বিজয়ের পঞ্চাশ বছর অতিক্রম করছি আমরা। দীর্ঘ ধারাবাহিক রাজনৈতিক আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে অগণিত রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের জীবন উৎসর্গের মধ্য দিয়ে এই জাতিকে অগ্রসর হতে হয়েছে। বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার লক্ষ্য পূরণের অভিপ্রায়, অবিচার ও শোষণ থেকে মুক্তি এবং জাতিগত অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার সেই ...

বিজয়ের গৌরবগাথা, মুক্তিযুদ্ধে ইন্দিরা গান্ধী

শাহাব উদ্দিন মাহমুদঃ ‘আজ আমি বেঁচে আছি, কাল নাও থাকতে পারি। আমি আমার দেশের মানুষের সেবা করতে পেরেছি, এটা আমার জন্য অনেক বড় সান্ত¡না। আমি যদি মারা যাই, আমার রক্তের প্রতিটি ফোঁটা ভারতকে শক্তিশালী করবে।’ উড়িষ্যায় এই বক্তব্য প্রদানকালে ইন্দিরা গান্ধী জানতেনও না এটাই জনতার সামনে তার শেষ বক্তব্য। এই জনসভার ঠিক একদিন পর ৩১ অক্টোবর ১৯৮৪ সালে দেহ...

দেশজুড়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপিত

সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে উৎখাত, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিসহ সকল ‘অন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র’ রুখে দেওয়ার প্রত্যয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করছে সমগ্র দেশবাসী। মঙ্গলবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষের কণ্ঠে ছিল সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে উৎখাত, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিসহ সকল ‘অন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র’ রুখে দেওয়ার প্রত্যয়। সাম্প্রদায়ি...

দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে অর্জিত মহান স্বাধীনতা: যুদ্ধ, মৈত্রী ও মুক্তির উপাখ্যান

১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একচেটিয়া বিজয়ের পর থেকেই বাঙালি নিধনের পরিকল্পনা শুরু করে পাকিস্তানিরা। কিন্তু গণমানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তা বুঝতে পারেন। এরপর সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তত করতে থাকেন জনগণকে। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে, ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের মধ্যেই পাকিস্তানি প্রশাসনকে কোণঠাসা করে ফেলে জনতা। সাত কোটি বাঙালি...

মুক্তিযুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বুদ্ধিজীবীরাঃ সজীব ওয়াজেদ জয়

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ে বুদ্ধিজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আজ তারা থাকলে বাংলাদেশ হয়তো অনেক আগেই আরও উন্নতি করতে পারতো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) বুদ্ধিজীবী দিবসে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে একথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র জয়। ...

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের উপলব্ধি

অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাবঃ আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ’৭১-এর এইদিনে পরাজয় অত্যাসন্ন বুঝতে পেরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এদেশীয় দোসররা তালিকা ধরে রাতের আঁধারে উঠিয়ে নিয়ে যায় দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের। বিজয়ের পর রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে আবিষ্কৃত হয় তাদের মৃতদেহ। বাসা থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার পর বধ্যভূমিতে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করার আগ পর্যন্ত তাদের আটকে রাখা...

বুদ্ধিজীবী হত্যা ছিল জাতিকে বিকলাঙ্গ করার ষড়যন্ত্র

আব্দুর রহমানঃ ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্মের পরপরই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব বুঝতে পারেন, পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানকে তাদের শোষণের চারণক্ষেত্র বানাতে চাইছে। ১৯৪৭ সালে করাচীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষা সম্মেলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাপত্রে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের সুপারিশসহ...

বুদ্ধিজীবী হত্যা ও বাঙালি নারীদের সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: কেন এই বর্বর পরিকল্পনা?

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে ঘুমন্ত বাঙালি জাতির ওপর ট্যাঙ্ক নিয়ে হামরে পড়ে পাকিস্তানি জান্তারা। এরপর দীর্ঘ ৯ মাস ধরে ঘরে ঘরে বাঙালি নারীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালাতে থাকে তারা। রাজাকার-আল বদর-আল শামস বাহিনীর সহায়তায় প্রতিটি এলাকায় তারা স্থাপন করে নারীদের জন্য আলাদা বন্দিশালা। দেশজুড়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার মহোৎসবের মেতে ওঠে পাকিস্তানি পিশাচরা। কিন্তু কেন? কারণ...

ধর্ষণ, গণহত্যা ও লুটপাটের পর অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয় পাকিস্তানি হানাদাররা

ডিসেম্বর মাস এলেই বাঙালি জাতি যেমন বিজয়ের উল্লাসে মেতে ওঠে, তেমনি বর্বর পাকিস্তানিরাও পরাজয়ের গ্লানিতে ডুবে যায়। তবে ১৯৭১ সালে আমাদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পরও কিন্তু তাদের বর্বর সেনাদের হিংস্রতা থামে নি। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পরও সভ্য হতে পারেনি এই জান্তারা। ত্রিশ লাখ বাঙালি হত্যা ও কমপক্ষে দুই লাখ নারী...

মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করতে এসে প্রাণ হারায় দেড় হাজার ভারতীয় সেনা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস আপামর বাঙালির অদম্য সাহস ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের অক্ষরে রচিত হয়েছে। হাজার বছরের মুক্তির স্পৃহা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অদম্য নেতৃত্বে শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় অর্জন করে বীর বাঙালি। পাকিস্তানিদের দুই যুগের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে যখন ২৬ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু, এরপর প্রতিটি অ...

ব্যাটেল অব ইছামতি

জাহাঙ্গীর আলম সরকারঃ আমি, এই প্রবন্ধ লিখতে যে তথ্য ব্যবহার করেছি তার অধিকাংশই পেয়েছি মিত্রবাহিনীর ৭১, মাউন্টেন ব্রিগেডের ব্রিগেডিয়ার প্রয়াত পিএন কাথাপালিয়া এবং ২১, রাজপুত ব্যাটেলিয়নের লে: কর্ণেল এস জি ডালভি সাহেবের সাথে আলাপচারিতা এবং সাক্ষাৎকার গ্রহণের মাধ্যমে। তাদের দেয়া তথ্যের ব্যবহার করেই ইছামতির যুদ্ধ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারনা দেয়ার চেষ্টা করছি মাত্র। সুনির্দি...

মুক্তিযুদ্ধে ঘটনাবহুল আশুগঞ্জ

অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজুঃ ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর ছিল আশুগঞ্জ মুক্ত দিবস। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ও ঘটনাবহুল দিন। বিজয়ের ঊষালগ্নে ৯ ডিসেম্বর আশুগঞ্জে ভারতীয় মিত্রবাহিনী, মুক্তিযোদ্ধা এবং পাকিস্তানি শত্রু বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই ভয়াবহ যুদ্ধেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ১০ ডিসেম্বর আশুগঞ্জ মুক্ত হয়েছিল। এই যুদ্ধে ভারতীয় সে...

আত্মসমর্পণের শেষ প্রস্তুতি

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজঃ ১৯৭১-এ ভারতীয় বাহিনীর পূর্বাঞ্চলের প্রধান (Chief of Staff) লে. জেনারেল জ্যাক জ্যাকবের গ্রন্থে পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের পূর্বক্ষণের মূল্যবান কিছু চিত্র পাওয়া যায়। ষোলো ডিসেম্বর দুপুরের মধ্যেই জ্যাকবসহ ভারতীয় কয়েকজন সামরিক অফিসার জেনারেল নিয়াজীর সদর দপ্তরে প্রবেশ করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ চারদিকের পরিবেশ শান্ত রাখত...

পাকিস্তানিদের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বানচালের চেষ্টা করেছিল জামায়াত

মুক্তিযুদ্ধ যখন শেষের দিকে, বাঙালি জাতির বিজয় যখন শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। পাকিস্তানিদের বর্বরতার বিরুদ্ধে এবং মুক্তিকামী বাঙালি জাতির পক্ষে যখন বিশ্বজুড়ে জনমত তুঙ্গে, ঠিক তখনই নতুন ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে পাকিস্তানিরা। তারা তখন জামায়াতের কয়েকজন নেতাকে বাঙালি জাতির প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেয়। উদ্দেশ্য, বাঙালির চূড়ান্ত বিজয় বানচাল করে বা...

ছবিতে দেখুন

ভিডিও