বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতায় জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার অন্যতম কুশীলব ছিল তৎকালীন উপ-সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান। এরপর ২৩ আগস্টের মধ্যে জাতীয় চার নেতাকে গ্রেফতারের পর, ২৪ আগস্ট সেনাপ্রধানের পদে অধিষ্ঠিত হয় সে। এসময় সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানের সামরিক শক্তির ওপর ভর করে ২৬ সেপ্টেম্বর ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ&...

বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার: ৩৫ বছরের অপেক্ষার অবসান

রা'আদ রহমান: ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি বাঙালি জাতির কলঙ্কমুক্তির দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকারী ৫ খুনি ফাঁসিতে ঝুলেছিল এদিন। পিতার বুকে ব্রাশফায়ার করবার দীর্ঘ ৩৫ বছর পর অবশেষে আত্মস্বীকৃত খুনি নরপিশাচদের বিচার সম্পন্ন করতে পেরেছিলাম আমরা। একটা দেশের স্থপতি, জাতির জনক, স্বাধীনতা ও মুক্তির মহানায়ক, যে তার পুরো জীবনটাই স্বজাতিকে ভালোবেসে উৎসর্গ করে গে...

শোকের মাস আগস্টের বিশেষ ওয়েবিনার - জাতির পিতার হত্যার বিচারঃ জাতির প্রত্যাশা এবং রাষ্ট্রের করণীয়

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর ইনডেমনিটি আইন বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার এবং ধানমন্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর তৎকালীন ব্যক্তিগত সহকারী আ ফ ম মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে মুজিব হত্যাকাণ্ডের মামলা করেন। ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর থেকে ২০০৯ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত আপিলের প্রেক্ষিতে চার দফায় রায়ের মাধ্যমে ১৩ বছর ধরে চলা বঙ্গবন্ধু হত্য...

মা হওয়ার পরও আব্বা আমাকে ভাত মেখে খাওয়াতেন

শেখ হাসিনাঃ  গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় ঢাকায় আমরা এলাম ১৯৫৪ সালে। আমি আর কামাল। জামাল ছিল খুব ছোট। আর প্রথমবার আমরা এসেছিলাম ১৯৫২ সালে। তখন ভাষা আন্দোলন হয়। আব্বা ছিলেন জেলখানায়। তখন খবর পেলাম, আব্বার শরীর খুব খারাপ। তখন দাদা সিদ্ধান্ত নিলেন, আমাদের নিয়ে ঢাকা আসবেন, আমরা তখন নৌকায় করে ঢাকা এসেছিলাম। আমার দাদার বড় নৌকা ছিল। তাতে দুটি কামরা ছিল। তিন মা...

ছবিতে দেখুন

ভিডিও