স্বাধীনতার ঘোষক ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে? দলিল কী বলে?

59

Published on জুন 5, 2026
  • Details Image

⁨ইতিহাস কোনো আবেগের বস্তু নয়, ইতিহাস দলিল ও প্রমাণের অকাট্য সত্য। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের নেপথ্যে রয়েছে সুদীর্ঘ ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও কিছু মীমাংসিত ইতিহাস নিয়ে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস এর উত্তরসূরিরা। বিশেষ করে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক’—এই দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বিষয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে তারা। আসুন, কোনো সস্তা আবেগ নয়, একেবারে নিখাদ দলিল, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং যৌক্তিক প্রমাণের আলোকে সত্যটা জেনে নিই।

প্রথম পর্ব: স্বাধীনতার ঘোষক বনাম পাঠক—দলিল ও যুক্তির কষ্টিপাথর

🔹১. ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহর এবং বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরীহ বাঙালিদের ওপর ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা শুরু করে, তখন বাঙালি জাতির সামনে প্রতিরোধের কোনো বিকল্প ছিল না। ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে (অর্থাৎ ২৫শে মার্চ দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিট বা তার কিছু পরে) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইপিআরের (বর্তমান বিজিবি) ওয়্যারলেস যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

বঙ্গবন্ধুর মূল ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে, যার বাংলা অনুবাদ:
“এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ, তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহ্বান জানাচ্ছি। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈনিকটিকে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত করে চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেত হবে।”

তথ্য-প্রমাণ ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণাটি তৎকালীন সময়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ২৬শে মার্চ ও তার পরবর্তী দিনগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিউইয়র্ক টাইমস’, ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’, লন্ডনের ‘দ্য টাইমস’, ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’ এবং ভারতের ‘আকাশবাণী’সহ বিশ্বের বহু নামী গণমাধ্যমে পরিষ্কারভাবে বলা হয় যে, শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। এমনকি তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের যে চার্জশিট গঠন করেছিল, সেখানেও অন্যতম প্রধান কারণ ছিল—বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ওয়্যারলেসে স্বাধীনতা ঘোষণা এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতা।

বঙ্গবন্ধুকে কেন ২৫শে মার্চ রাতেই গ্রেফতার করা হলো?

কারণ পাকিস্তানিরা জানত, এই একটি মানুষকে গ্রেফতার বা বন্দি করতে পারলে বাঙালি জাতিকে মানসিকভাবে দুর্বল করা যাবে। কিন্তু তারা জানত না, বঙ্গবন্ধু তাঁর বজ্রকণ্ঠ ততক্ষণে সাড়ে সাত কোটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে দিয়েছেন।

২. এম এ হান্নান: প্রথম পাঠক

বঙ্গবন্ধুর ওয়্যারলেস বার্তাটি পাওয়ার পর চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রচারের ব্যবস্থা করেন। ২৬শে মার্চ দুপুর ২টা ১০ মিনিটে এবং পরবর্তীতে বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি প্রথম পাঠ করেন। এটিই ছিল ইতিহাসের প্রথম আনুষ্ঠানিক পাঠ।

৩. জিয়াউর রহমান: একজন পাঠক মাত্র

আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বুঝতে পেরেছিলেন যে, একটি সশস্ত্র যুদ্ধের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন। তাই কোনো একজন সামরিক অফিসারকে দিয়ে যদি বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণাটি পাঠ করানো যায়, তবে যুদ্ধের ময়দানে তার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ইতিবাচক হবে। এই কৌশলগত চিন্তা থেকে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এবং কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের সংগঠকরা মেজর জিয়াউর রহমানকে ২৭শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে নিয়ে আসেন।

২৭শে মার্চ জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন। তিনি তাঁর প্রথম পাঠে ভুলবশত নিজেকে রাষ্ট্রপ্রধান দাবি করলেও, আওয়ামী লীগ নেতাদের আপত্তিতে পরবর্তীতে তিনি নিজেকে শুধরে নেন এবং বলেন:

"I, Major Ziaur Rahman, on behalf of our great leader Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, do hereby declare the independence of Bangladesh..."

অর্থাৎ, তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাটি পাঠ করছেন। তাঁর এই বক্তৃতায় তিনি চারবার বঙ্গবন্ধুর নাম উল্লেখ করেন। এমনকি তিনি তার জীবদ্দশায় কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবি করেননি। যা করছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও বর্তমান একটি স্বার্থান্বেষী মহল।

৪. ঘোষক আর পাঠক এক জিনিস নয়

একটি সোজা যুক্তি দেওয়া যাক—সংবাদ পাঠক প্রতিদিন টেলিভিশনে দেশের প্রধানমন্ত্রীর বা রাষ্ট্রপতির বাণী পাঠ করেন। তার মানে কি সেই বাণীর রচয়িতা বা ঘোষক ওই সংবাদ পাঠক? কখনোই নয়।

তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে, যিনি বেতার থেকে পাঠ করেছেন তিনিই ঘোষক—তবে সেই কৃতিত্ব তো মেজর জিয়ার প্রাপ্য নয়! কারণ তাঁর একদিন আগে, অর্থাৎ ২৬শে মার্চ দুপুরে ও বিকেলে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রথম ঘোষণাটি পাঠ করেছিলেন। তাহলে জিয়াউর রহমান কীভাবে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হন?

তাছাড়া, ২৭শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের যে ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে জিয়াউর রহমান বার্তাটি পাঠ করেছিলেন, তার সম্প্রচার সীমা (Range) ছিল মাত্র ১৫ কিলোহার্জ (খুব জোর চট্টগ্রাম থেকে ফেনী পর্যন্ত)। অথচ জিয়াউর রহমান পাঠ করার আগেই, অর্থাৎ ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর মূল ঘোষণার পর পরই সমগ্র বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ, পুলিশ ও ইপিআর প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছিল। যে দেশের মানুষ ২৭শে মার্চের আগে থেকেই বঙ্গবন্ধুর নামে যুদ্ধে লিপ্ত, সেখানে ২৭শে মার্চ মাত্র ১৫ কিলোহার্জের একটি রেডিও স্টেশন থেকে দেওয়া পাঠ শুনে দেশ স্বাধীন হয়েছে—এমন দাবি হাস্যকর বৈকি!

দ্বিতীয় পর্ব: মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক—সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা

একটি যুদ্ধ কখনো কোনো বিচ্ছিন্ন সামরিক অফিসারের একক সিদ্ধান্তে পরিচালিত হতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। এটি ছিল ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতির দেওয়া ম্যান্ডেটের চূড়ান্ত রূপ। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টিতে জয়লাভ করে। প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে পায় ২৮৮টি। ইতিহাসের এই নিরঙ্কুশ বিজয় প্রমাণ করে যে, পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের একমাত্র নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সাত কোটি বাঙালির ভোটে নির্বাচিত এই নেতার হাতেই ছিল স্বাধীনতা ঘোষণার বৈধ ম্যান্ডেট।

পাকিস্তানিরা ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত ‘মুজিবনগর সরকার’ এর অধীনেই পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল।

১. পদাধিকারবলে বঙ্গবন্ধু সর্বাধিনায়ক

১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গঠিত এবং ১৭ই এপ্রিল শপথ নেওয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম প্রবাসী সরকার তথা ‘মুজিবনগর সরকার’-এর রাষ্ট্রপতি ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (তার অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন)।

বিশ্বের যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি হলেন সশস্ত্র বাহিনীর ‘সর্বাধিনায়ক’ বা Supreme Commander of the Armed Forces। ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল গৃহীত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) -এর আনুষ্ঠানিক দলিলে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ আছে।

প্রাসঙ্গিক অংশটির হুবহু ইংরেজি পাঠ্য নিম্নরূপ:

"do hereby affirm and resolve that till such time as a Constitution is framed, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman shall be the President of the Republic... and that the President shall be the Supreme Commander of all the Armed Forces of the Republic"

অর্থাৎ, এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয়েছিল। এই দলিলটি স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান হিসেবেও কাজ করেছিল, যা আমাদের প্রথম সংবিধান।
এছাড়া, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সাধারণ নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদাধিকারবলে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হন। সেই বিবেচনায় মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক।

সুতরাং, আইনি, সাংবিধানিক এবং রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

২. এম এ জি ওসমানী: প্রধান সেনাপতি (Commander-in-Chief)

এখানে অনেকের মধ্যে একটি সূক্ষ্ম বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হয়। কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী (এম এ জি ওসমানী) ছিলেন ‘প্রধান সেনাপতি’ বা Commander-in-Chief (C-in-C), সর্বাধিনায়ক (Supreme Commander) নন।

সহজ কথায়, রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধুর অধীনে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পেশাদার সামরিক প্রধান হিসেবে জেনারেল ওসমানীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান বাংলাদেশে যেমন মহামান্য রাষ্ট্রপতি হলেন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, আর তাঁর অধীনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা কাজ করেন; ঠিক তেমনি ১৯৭১ সালেও সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর আদেশে যুদ্ধক্ষেত্রের মাঠ পর্যায়ের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম এ জি ওসমানী।

উপসংহার: দলিল তো মিথ্যা বলে না!

ইতিহাসের দলিল ঘাটলে দেখা যায়—মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল আওয়ামী লীগের হাত ধরে, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল আওয়ামী লীগ তথা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত মুজিবনগর সরকারের অধীনে, আর সমগ্র বাঙালি জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ও তাঁর নামে।

যিনি দীর্ঘ ২৪ বছর লড়াই-সংগ্রাম করে একটি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করলেন, ২৫শে মার্চের রাতে(২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন, যাঁর নামে পুরো ৯ মাস বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করল, এবং যিনি মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হলেন—তিনিই এই দেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র সর্বাধিনায়ক। ইতিহাসের এই অমোঘ সত্যকে কোনো রাজনৈতিক অপপ্রচার দিয়ে আড়াল করা সম্ভব নয়। কারণ, মানুষের মুখচ্ছবি মুছে ফেলা যায়, কিন্তু দলিলের কালির দাগ কখনো মুছে ফেলা যায় না।

লেখক: রাব্বি হাসান, শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়  এবং সংগঠক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত