পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ সিস্টেম চালু

820

Published on জুলাই 6, 2021
  • Details Image

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে মিনি সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে পাবনা সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স এ সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহ সিস্টেমের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক ডা. সালেহ মুহাম্মদ আলীসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

এ সময় ডা. সালেহ মুহাম্মদ আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের জন্য কাজ চলছিল। গত মাসে প্রতিটি ওয়ার্ডের শয্যার পাশে অক্সিজেনের সংযোগ পাইপ লাইন বসানোর কাজ শেষ হয়। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় এই প্লান্টে অক্সিজেন চালু হবে সেটি এখনো হয়নি। বর্তমানে করোনার ঊর্ধ্বগতির জন্য হাসপাতালে অক্সিজেন সংকট হওয়ায় এই প্লান্টের সঙ্গে বড় ১২টি সিলিন্ডার লাগিয়ে শুধু করোনা ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই হাসপাতালে এখন পর্যন্ত কোনো রোগী অক্সিজেন সংকটে মারা যাননি বলেও জানান তিনি। 

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে তিন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় জেলায় ১৩৯ নতুন রোগী শনাক্ত হয়। বর্তমানে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে ৭৩ রোগী ভর্তি রয়েছেন। মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের মধ্যে একজনের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায়, একজনের বাড়ি সুজানগর উপজেলার চর দুলাই গ্রামে এবং আরেকজনের বাড়ি ঈশ্বরদী উপজেলার চরকুড়ুলিয়া গ্রামে।

ডা. সালেহ মুহাম্মদ আলী বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজন রোগীর অবস্থায়ই সিরিয়াস ছিল। যাদের শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ ছিল মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ। এই ধরনের রোগীকে আইসিইউতে নিলেও তাদের বাঁচার সম্ভনা খুব কম। তবে এখনো আমরা হাসপাতালে চেষ্টা করছি রোগীকে সঠিক সেবা দেওয়ার জন্য। হাসপাতালে প্রাথমিক করোনা রোগীদের শয্যা রয়েছে ১০০টি। তবে এই শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। পাবনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, বর্তমানে পাবনা জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩৪১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬১ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জন। গত এক সপ্তাহে করোনা পজিটিভ হয়েছেন ১ হাজার ১১৬ জন। এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে জেলায় করোনায় মারা গেছে ২৭ জন। বর্তমানে জেলায় করোনার সংক্রমণের হার ২১.৩৫ শতাংশ।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত