বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্কঃ আওয়ামী লীগ সরকারই হিস্যা আদায় করেছে, অন্যরা কিছুই পারেনি

2230

Published on সেপ্টেম্বর 6, 2022
  • Details Image

বাঙালি জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত আমাদের রক্তের ঋণে আবদ্ধ করলেও, ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য হিস্যা চাইতে এবং আদায় করতে কখনোই পিছপা হয়নি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুপ্রতীম সম্পর্ক রেখে যেসব হিস্যা আদায় করা সম্ভব হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে তা সেভাবেই করেছে। আবার ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে পদক্ষেপ নিতেও পিছপা হয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে অন্য কোনো সরকারই এই সক্ষমতা ও সাহস দেখাতে পারেনি। অন্যরা প্রকাশ্যে ভারতবিদ্বেষ ছড়ায় এবং গোপনে গোপনে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ভারতের কাছে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে রহস্যজনক নীরবতা পালন করে। আসুন একবার জেনে আসি সেইসব ঘটনাগুলি।

প্রথম, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের সময় সহায়তা করেছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কমান্ডের কাছেই আত্মসমর্পণ করেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। এরপর যুদ্ধের মিত্রপক্ষ হিসেবে ভারতীয় সেনারা বাংলাদেশেই অবস্থান করছিল। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও সরকারপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে মাত্র তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ত্যাগ করে তারা। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো মিত্রবাহিনী এত দ্রুত নিজ দেশে ফেরত যায় নি, যায় না। আমেরিকা-ইউরোপের রাষ্ট্রগুলো যখন কারো মিত্রপক্ষ হয়ে যুদ্ধ করেছে, তারা সেই দেশে সামরিক ঘাঁটি গেড়ে স্থায়ী আবাস গড়েছে। বাংলাদেশে এখানে পুরোপুরি ব্যতিক্রম। এটি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম এবং ঐতিহাসিক সাফল্য। এরপরও যতোবার বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে, ততবারই দ্বিপাক্ষিক অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান করেছে। কিন্তু অন্য সরকারগুলো কোনো কিছুই আদায় করতে পারেনি।

আসুন প্রতিটি সরকারের সময়কার তথ্য-প্রমাণসহ ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য অর্জনের বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে দেখি। আওয়ামী লীগ কী কী আদায় করতে পেরেছে, আর স্বৈরশাসক জিয়া-এরশাদ, বিএনপি-জামায়াত এবং অন্যান্য দলগুলির প্রাপ্তি কী, জানার প্রয়োজন আছে। কথায় কথায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ভারত নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে ওঠা এই দলগুলি নিজেরা ভেতরে ভেতরে কী করে, জনগণের সেটা তথ্যসহ জানা উচিত।

মৈত্রী চুক্তির মাধ্যমে জাতীয় পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়ন:

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৭ মার্চের আগেই দেশে ফিরে যায় ভারতীয় সেনারা। এরপর দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসেন। তখনই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্নিমাণের উদ্দেশ্যে 'ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি নামে পরিচিত লাভ করে। চুক্তিতে যা ছিল, মূল বিষয়টা এরকম: দুই দেশ একে অন্যের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিষয়ে সম্মান প্রদর্শন করবে এবং কেউই একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করবে না। কোনো পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোন সামরিক জোটে অংশ নেবে না। পরস্পর পরস্পরের প্রতি কোনো আক্রমণ করবে না এবং অপর পক্ষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কোন কাজে নিজের ভূমি ব্যবহার করতে দেবে না। এছাড়া দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, খেলাধুলা, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহায়তার উল্লেখও ছিল চুক্তিতে।

কিন্তু উগ্রবাম এবং মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত জামায়াত ও স্বাধীনতাবিরোধিরা এই চুক্তির বিষয়ে বিভিন্ন প্রোপাগান্ডা ছড়াতে থাকে। তবে বাস্তবতা হলো, আওয়ামী লীগ সরকারের এই সহযোগিতা চুক্তির জন্যই স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে বিনামূল্যে কোটি টন খাদ্যশস্য সহায়তা দিয়েছে ভারত, যা খেয়ে তখন প্রাণে বেঁচে ছিল বাংলার অসহায় মানুষরা। এছাড়াও ভারত সরকার সে সময় বাংলাদেশকে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজের জন্য ২৫০ মিলিয়ন ডলার সহযোগিতা প্রদান করে, যা ছিল তৎকালীন সময়ের হিসেবে এক নজিরবিহীন ঘটনা।

এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার যৌথ জলাধারে পানির ন্যায্য বণ্টন, দ্বিপাক্ষিক ট্রানজিট ও বাণিজ্য, স্থলভাগের সীমানা নির্ধারণ প্রভৃতি বিষয় অন্তর্ভূক্ত ছিল। তবে ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারসহ একদল ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে নিহত হলে এসব চুক্তি বাস্তবায়ন থমকে যায়। অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে এরপর আর কোনো সরকারই ভারতের সাথে আলোচনা করেনি। কারণ জিয়াউর রহমান ও এইচ এম এরশাদ স্বৈরশাসক হওয়ায় তারা দেশের ন্যায্য দাবির কথাও কোনো বৈঠকে উচ্চারণ করেনি। তারা অবৈধভাবে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতেই যাবতীয় রাষ্ট্রীয় কূটনৈতিক সিস্টেমকে ব্যবহার করেছে।

পানি বণ্টন: আওয়ামী লীগ সরকারের অর্জন ও বিএনপি-জামায়াতের ভূমিকা

বঙ্গবন্ধু হত্যার দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবারো আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সরকার গঠন করে। সরকারে আসার পর সেই বছরই ভারতের সাথে ফারাক্কার গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি করতে সমর্থ হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই চুক্তির ফলে ভারতের গঙ্গায় পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ অংশের নিম্ন অববাহিকায় বাংলাদেশের পানির ভাগ পাওয়ার অধিকার– দুইই প্রতিষ্ঠিত হয়। এই চুক্তির ফলে কুষ্টিয়া ও গড়াই-মধুমতী নদীর উপর বাঁধ ও সেচপ্রকল্প পারমিট পায়। এই প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ এবং বঙ্গোপসাগরের লবণাক্ত পানির প্রকোপ থেকে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে রক্ষা করা।

এর আগে, বিএনপি-জাাময়াত সরকার কি করেছিল আপনাদের জন্য, সেটাও জেনে রাখুন। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার কথা পর্যন্ত বলতে ভুলে গিয়েছিলেন। তিনি বৈঠকে পানির প্রসঙ্গ পর্যন্ত তোলেননি। দেশে ফেরার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিজেই মুখ ফসকে এই কথা বলে ফেলেছেন। সেই সময়ের পত্রিকাগুলো একবার চোখ বুলিয়ে দেখুন। এছাড়াও ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার সময় তিস্তা নদীর গজলডোবায় যখন ব্যারেজ নির্মাণ করে ভারত, তখনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিকভাবে কোনো প্রতিবাদ জানায়নি বিএনপি।

অন্যদিকে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচার জিয়া-এরশাদের সরকার, পরবর্তীতে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে দুইবার বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় এলেও তারা এসব বিষয়ে ভারতের সাথে কোনো আলোচনাই করেনি। পরবর্তীতে সেই খেসারত দিতে হয়েছে উত্তরাঞ্চলের সাধারণ কৃষকদের।

কিন্তু ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর, তিস্তার পানি সরবরাহে ন্যায্য হিস্যা আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশের সাথে এ বিষয়ে সহমত পোষণ করে চুক্তি করতেও জন্য সম্মত হয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় রাজ্যভিত্তিক রাজনীতির কারণে এটি আটকে আছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের সাথে সমঝোতা হলে, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান পাবে বাংলাদেশ।

স্থল-সীমান্ত নির্ধারণ ও ছিটমহল সমস্যার সমাধান:

বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সর্বাধিক। স্বাধীনতার পর থেকে দুই দেশের অভ্যন্তরের কিছু ছিটমহলের জন্য সীমানা সংক্রান্ত বিষয়গুলো অমীমাংসিত ছিল। দীর্ঘ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ২০১৫ সালের ১ আগস্ট থেকে ভারতের সাথে বিবাদমান স্থল সীমানাগুলো নির্দিষ্টকরণে সমর্থ হয় আওয়ামী লীগ সরকার। ফলে বাংলাদেশের ভেতর ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল (১৭ হাজার ১৬০ একর) বাংলাদেশের মালিকানায় চলে আসে। এবং ভারতের ভেতর থাকা ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহল (সাত হাজার ১১০ একর) ভারতীয় ভূখণ্ডের অংশ হয়ে যায়। বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী নাগরিকত্ব বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। ২০১৫ সালের পর থেকে ছিটমহলের বাসিন্দারা দিনটিকে তাদের মুক্তির দিন হিসেবে পালন করে আসছে। পূর্ণ নাগরিক সুবিধা ও উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে তারা।

মূলত, ১৯৭৪ সালের মে মাসে দুই দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে এই স্থল-সীমানা মীমাংসার চুক্তিটি সই হয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আর কোনো সরকারই এই ন্যায্য দাবির কথা উচ্চারণ করেনি। উল্টো যেসব ভারতীয় পণ্যের ওপর ৩০০ থেকে ৪০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা ছিল, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমান সেই শুল্ক তুলে দিয়ে ভারতকে একচেটিয়া ব্যবসার সুযোগ দেয় বাংলাদেশে। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর বাংলাদেশের কিছু পণ্যকেও ভারতে শুল্কমুক্ত রফতানির সুবিধা আদায় করে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সমর্থ হন।

ভারতের কাছ থেকে ১৯ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা জয়:

মূলত, বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আলোচনা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর সময়ে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই দশক এবিষয়ে আর কোনো উদ্যোগ নেয়নি বিএনপি-জামায়াত। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর জলসীমায় ন্যায্য হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টা শুরু করে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হওয়ায় বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সালিশি আদালতে যায় বাংলাদেশ। এরপর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় লড়ে ২০১৪ সালে এসে, ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ সমুদ্রসীমার ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশ ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার জলসীমা জয় করতে সমর্থ হয়। এর ফলে সাগরের অধিকাংশ গ্যাস ব্লকগুলোতে এখন বাংলাদেশের মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ভারতের দাবিকৃত ১০টি গ্যাসব্লকের সবগুলোই পেয়েছে বাংলাদেশ। ফলে সমুদ্রের সম্পদের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অর্থনীতির নতুন দুয়ার খুলে গেছে।

এর আগে আওয়ামী সরকারের উদ্যোগেই ২০১২ সালে মিয়ানমারের সাথেও সমুদ্রসীমার বিরোধ নিস্পত্তি করে বিশাল জলাধারের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করে বাংলাদেশ। ওই অঞ্চলের সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানাও পায় বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে চলা সমুদ্রসীমা নিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে বিরোধের অবসান ঘটায় বাংলাদেশ লাভ করেছে একটি স্থায়ী সমুদ্রসীমা, যার আয়তন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কি.মি। অথচ এর আগে, বাংলাদেশ ৫০ হাজার বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রসীমাও ভোগ করতে পারতো না। কিন্তু জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া, বিএনপি-জামায়াত জোট কোনো সরকারই দেশের ন্যায্য পাওনা বুঝে পেতে চেষ্টা করেনি।

ভারতের কাছ থেকে আওয়ামী লীগ সরকারই ন্যায্য হিস্যা আদায় করে নিয়ে এসেছে জাতির জন্য। একমাত্র আওয়ামী সরকারই এটা পেরেছে , অন্য কেউ পারেনি। এটাই বাস্তবতা। প্রথমত, আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করতে সমর্থ হয়েছে সরকার। কিন্তু তা না হলে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করেও ভারতের কাছ থেকে হিস্যা আদায় করেছে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার। বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগই এটা পারে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাই এটি করে দেখিয়েছেন। আগামীর দিনগুলিতেও শেখ হাসিনার হাত ধরেই ভারতের সাথে সমমর্যাদার রাষ্ট্র হিসেবেই অধিষ্ঠিত থাকবে বাংলাদেশ।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত