সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে রাজশাহীতে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

301

Published on জানুয়ারি 3, 2022
  • Details Image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের উদ্যোগে আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬.৩০টায় কুমারপাড়াস্থ দলীয় কার্যালয়ে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ডাবলু সরকার। আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন। দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য বারকুল্লাহ বিন দুরুল হুদা। স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর জৈষ্ঠ্যপুত্র, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি রাজনীতিতে লোভহীন ও নিরহঙ্কারী নেতা ছিলেন। সততা, দায়িত্বের প্রতি একাগ্রতা ও শুদ্ধ রাজনীতির কারণে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দেশের সকল মানুষের সমীপে অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। আজ তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল। সংগঠনকে গতিশীল করতে তিনি অনেক অবদান রেখেছেন। তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

মোঃ ডাবলু সরকার বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর মতোই তাঁর পুত্র আশরাফুল ইসলাম বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন। তাঁর সততা ও ন্যায়পরায়নতা কখনই ভুলবার নয়। ক্ষণজন্মা এই রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেওয়ার পর দলকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর দর্শনের ধারক ও বাহক এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা'র নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল ছিলেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, রেজাউল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আসলাম সরকার, দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম বুলবুল, প্রচার সম্পাদক দিলীপ কুমার ঘোষ, কৃষি সম্পাদক মীর তৌফিক আলী ভাদু, আইন সম্পাদক অ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফিরোজ কবির সেন্টু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম রবি, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মকিদুজ্জামান জুরাত, শ্রম সম্পাদক আব্দুস সোহেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক পংকজ দে, উপ-প্রচার সম্পাদক সিদ্দিক আলম, সদস্য নফিকুল ইসলাম সেল্টু, মুশফিকুর রহমান হাসনাত, হাবিবুর রহমান বাবু, শাহাব উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন খান, অ্যাড. শামসুন্নাহার মুক্তি, সৈয়দ হাফিজুর রহমান বাবু, আব্দুস সালাম, সৈয়দ মন্তাজ আহমেদ, মজিবুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, মোখলেশুর রহমান কচি, কে এম জুয়েল জামান, থানা আওয়ামী লীগের মধ্যে রাজপাড়া তানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শেখ আনসারুল হক খিচ্চু, বোয়ালিয়া (পূর্ব) থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, নগর যুবলীগ সভাপতি রমজান আলী, নগর কৃষক লীগ সভাপতি রহমতউল্লাহ্ সেলিম, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আব্দুল মোমিন, সাধারণ সম্পাদক জেডু সরকার, নগর মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সালমা রেজা, সাধারণ সম্পাদক কানিজ ফাতেমা মিতু, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ সিরাজুম মুবিন সবুজ প্রমুখ।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত