এতবড় অমানবিক যে, তাকেও মানবতা দেখিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

1932

Published on নভেম্বর 18, 2021
  • Details Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়া হবে কি না, তা আইনগতভাবেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তিনি বলেন,‘ খালেদা জিয়ার জন্য আমি আমার নির্বাহী ক্ষমতা বলে যা করতে পারি তাই করেছি, আইন পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে।’

’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় টেনে এনে জাতির পিতার খুনীদের পুরস্কৃত করার পরও তাঁর সরকার খালেদা জিয়াকে মানবতা দেখিয়েছে অভিমত ব্যক্ত করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরও তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি।কারণ আমরা অমানুষ নই ।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে তাঁর সাম্প্রতিক স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ এ অংশগ্রহণ এবং লন্ডন ও ফ্রান্সে দু-সপ্তাহের সফর বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খালেদা জিয়ার বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিএনপি’র দাবির প্রেক্ষিতে একথা বলেন।

তিনি গণভবনে থাকা সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি এই প্রশ্নোত্তরপর্বে অংশগ্রহণ করেন।

দুর্ণীতির মামলায় দন্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর মার্চে করোনাভাইরাসের কারণে সরকার দন্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে কিছু শর্তে সাময়িক মুক্তি দেয়। শর্তানুযায়ী তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। তবে, তার বাসায় থেকে চিকিৎসা নেয়ার কথা থাকলেও তিনদফায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর একই হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে চান কিভাবে, খালেদা জিয়াকে যে বাসায় থাকতে এবং চিকিৎসা করার সুযোগ দিয়েছি সেটাই কি বেশি নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বারবার তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টায় খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপন করে উল্টো প্রশ্নকারী সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, আপনাকে কেউ হত্যার চেষ্টা করলে আপনি কি তাকে ফুলের মালা দিয়ে নিয়ে আসতেন? বা আপনার পরিবারকে কেউ হত্যার পর বিচার না করে সেই খুনীদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করতো তাহলে কি করতেন?

‘৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে জাতির পিতার খুনী রশিদকে সংসদ সদস্য করে বিরোধী দলের নেতার আসনে বসানো, জাতির পিতার অপর খুনী খায়রুজ্জামানকে তার বিচারের রায় হবার সময় নতুন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরী দেয়া এবং রাষ্ট্রদূত করা, মারা যাওয়া অপর খুনী পাশাকে মারা যাওয়ার পর প্রমোশন দিয়ে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান সহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সেই গ্রেনেড তিনিই ভ্যানিটি ব্যাগে করে এনে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন,’ খালেদা জিয়ার এই বক্তব্য এবং একইসঙ্গে কোটালিপাড়ায় বোমা পূঁতে রেখে তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টার ঠিক আগে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেখ হাসিনা ‘প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা কোনদিন বিরোধীদলের নেতাও হতে পারবে না,’ স্মরণ করিয়ে দিয়ে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রেনেড হামলায় দলের ২২ জন নেতা-কর্মী মারা যাওয়া এবং বিপুল সংখ্যক আহত হওয়ার পরও একদিন সংসদে আলোচনা পর্যন্ত করতে না দেয়ার সঙ্গে দুর্ণীতির মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়ার রুপকার খালেদা জিয়াকে এতকিছুর পরও তাঁর সরকার মানবতা দেখিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে প্রচলিত প্রবাদ ‘রাখে আল্লাহ মারে কে,’ উল্লেখ করে এর উল্টোটাও উচ্চারণ করেন, ‘মারে আল্লাহ রাখে কে?’ ‘কাজেই খালেদা জিয়ার জন্য যারা তাঁকে দয়া দেখাতে বলেন তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত, উল্লেখ করে তিনি ’৭৫ এর সেই বিয়োগান্তক অধ্যায়ও টেনে আনেন।

তিনি বলেন, আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরেও আমরা অমানুষ নই। অনানুষ নই দেখেই তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি অন্তত সেই এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা বলে, আমার হাতে যতটুকু রয়েছে। বাকীটা আইনগত ব্যাপার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.একে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপু মনি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন অন্যান্যের মধ্যে গণভবনে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণভবন থেকে সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন।

লন্ডনে পলাতক দন্ডপ্রাপ্ত আসামী তারেক রহমানের নানা ষড়যন্ত্র বিষয়ক এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে সেখানে আরাম-আয়েশে দিন কাটাচ্ছে, আর বাংলাদেশে গন্ডগোল পাকাচ্ছে। যারা চোখ থাকতেও অন্ধ, কান থাকতেও বধির- তারা হয়তো ষড়যন্ত্র দেখেন না। এ প্রসঙ্গে বিএনপির আমলে তাঁকে বারবার হত্যা প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, লন্ডনে বসে একজন দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, নানা গন্ডগোল পাকাচ্ছে। সাম্প্রদায়িক উস্কানী, বিভিন্ন মন্দিরে হামলাসহ অনেকগুলো ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সেগুলো তদন্ত করা হচ্ছে, ঠিক সত্য বেরিয়ে আসবে কারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, উন্নত হচ্ছে এটা তাদের সহ্য হচ্ছে না। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকতে দেশ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপিসহ অনেক দলের অবৈধ সামরিক শাসকের হাতে জন্মই অবৈধভাবে। ক্ষমতা ছাড়া এসব দলের টিকে থাকার কোন সুযোগ নেই। কারণ এদের কোন শেকড় নেই। আমার প্রশ্ন, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ২১ বছর এবং বিএনপি-জামায়াত জোটের পাঁচ বছরে দেশের কোন উন্নতি হয়নি কেন? কারণ তারা দেশের উন্নতি চায়নি, দেশের অভ্যুদয় চায়নি, দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। সারাবিশ্বে বর্তমানে বাংলাদেশের মর্যাদা তাদের ভাল লাগবেনা এটাই স্বাভাবিক। জঙ্গিবাদ এবং বাংলা ভাইও সৃষ্টি করেছে এই বিএনপি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালের সেনা হত্যাকান্ড সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। এতদিন এটা নিয়ে তেমন কথা হয়নি। আপনারা এ বিষয়গুলো নিয়ে এখন কথা বলছেন, এটা ভালো।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের পর থেকে প্রকৃতপক্ষে কত মানুষ হত্যা হয়েছে সেটা এখনো জানা নেই। আমি অনেক পরিবারের কাছে গিয়েছি। তাদের সাথে কথা হয়েছে। তাদের আর্তনাদ শুনেছি। সরকার প্রধান বলেন, ১৯৭৭ সালে কারাগারে কত মানুষ হত্যা করা হয় তা এখনো কেউ জানে না। জিয়ার আমলে কত মানুষ হত্যাকা-ের শিকার হয়েছে, তা এখনও অজানা। এগুলো নিয়ে কেউ এতদিন কথা বলেনি। কোনো সাংবাদিক বা কেউ এটা নিয়ে আজ পর্যন্ত তদন্ত করেননি। এখন আপনারা এটি নিয়ে কথা বলছেন, এটা ভালো। আমি নিজেও তো এ ধরনের ক্যুর ভুক্তভোগী। তিনি বলেন, অন্তত ফাঁসি কাদের দেওয়া হলো, যেগুলো জেলখানায় হয়েছে সেগুলোর হয়তো তথ্য পাওয়া যাবে। কিন্তু ফায়ারিং স্কোয়ার্ডে যাদের মারা হয়েছে কোট মার্শাল করে, তাদের সবার তথ্য পাওয়া কিন্তু মুশকিল। জানি না পাওয়া যাবে কি না। তবে আমরা এটা খবর নেব, খোঁজ নেব, এ ব্যাপারে আমরা দেখব। কারণ বহুদিন পরে হলেও অন্তত মানুষের মনে এই প্রশ্নটা জেগেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এ জাতির পিতাকে হত্যার পর ১৯টি ক্যু হয়। আর প্রতিটি ক্যুর পর সেনাবাহিনীর হাজার হাজার সৈনিক, অফিসার, বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, এই হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত ছিল জিয়াউর রহমান সরাসরি নিজে, তারই নির্দেশে ঘটে হত্যাযজ্ঞ। তিনি বলেন, সে (জিয়াউর রহমান) নিজে সরাসরি এই মৃত্যুদন্ড দিতো। শুধু ফাঁসি দেওয়া নয়, প্রহসনমূলক সামরিক আদালতে বিচার, কোর্ট মার্শাল এবং তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেলিভিশনের যে চারজনকে হত্যা করা হয়, সেখানে আমার একজন ফুফাতো ভাইও ছিল। তাদের হত্যা করে বস্তাবন্দী করে সেখানে থাকা বিলে ফেলে রাখে। তাদের জামা-কাপড় দেখে তাদের চারজনকে চিহ্নিত করা হয়। এভাবে এই হত্যাকান্ডগুলো ঘটেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন আমরা গুম-খুনের কথা শুনি, আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার অনেক কিছু হচ্ছে। কিন্তু ’৭৫-এর পর থেকে যে এই ঘটনাগুলো শুরু এবং এত হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু, আমি ধন্যবাদ জানাই অন্তত আপনাদের এ ব্যাপারে কিছুটা হলেও চেতনা ফিরেছে এবং আপনারা কথাটা তুলেছেন। আমি আশা করি আরও তথ্য সংগ্রহ হবে। কিভাবে নির্বিচারে এ দেশের মানুষকে জিয়াউর রহমান হত্যা করে গেছে, সেটা বের হবে। একজন নাগরিক হিসেবে নিজেও বাবা-মায়ের হত্যার বিচার চাইতে পারেননি জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেন, আমরা তো নিজেরাই ভুক্তভোগী, আমি একজন নাগরিক হিসেবে আমার বাবা-মা, ভাইয়ের হত্যার বিচার পাইনি, মামলা করতে পারিনি। ’৮১ সালে ফিরে আসার পর আমাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। যখন আমি ক্ষমতায় আসতে পেরেছি, তখনই ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে তারপর সে মামলা করতে সক্ষম হয়েছি। তার আগে কিন্তু মামলা করতে দেওয়া হয়নি।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থিতা উন্মুক্ত করে দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে সহিংসতার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মুশকিল হচ্ছে এখানে আমরা শুধু চেয়ারম্যান পদে প্রতীক দিচ্ছি, কিন্তু মেম্বার পদে কোনো প্রতীক নেই। তাদের কোনো প্রতীক থাকে না। আপনারা যদি ঘটনাগুলো দেখেন, মেম্বারদের মধ্যেও গোলমাল, তাদের মধ্যেও কাটাকাটি। শুধু যে চেয়ারম্যান প্রতীক দিচ্ছি দেখেই মারামারি তা কিন্তু না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে নির্বাচনী সহিংসতা অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে, তবে এটা ঠিক, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা আগেও হয়েছে। এখনও হোক সেটা চাই না। একটা হানাহানি, ভোট দিতে গিয়ে মানুষের প্রাণ যাবে এটা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। বিএনপিসহ বিভিন্ন দল দলীয়ভাবে নির্বাচন না করলেও তাদের নেতারা যে অনেক জায়গায় স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করছে, সে বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তৃণমূলে দেখা যায় একজনকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে, অনেকের আকাঙ্ক্ষা থাকে। নির্বাচন তো সবাই করছে, আমরা যেমন আওয়ামী লীগের নামে করছি, বিএনপি নাম ছাড়া করছে, অন্যান্য দলও করছে। এই যে হানাহানি মারামারি, কোথায় কোথায়, কাদের মধ্যে হচ্ছে- সেটা আপনারা দেখেন। আমাদের দলের মধ্যে যেগুলো হবে, আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।

তিনি বলেন, শুধু ব্যবস্থা না, আমরা যাদের মনোনয়ন দিয়েছি, তাদের বাইরে গিয়ে যারা নির্বাচন করেছে, যতই ভালো প্রার্থী হোক যারাই দলের বাইরে গিয়ে কাজ করেছে, আমরা কিন্তু যথাযথ ব্যবস্থা নেব। আমরা কিন্তু ছাড়ব না।

আওয়ামী লীগ সভাপতি আরো বলেন, কিন্তু এদের (আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী) বাইরে যারা নির্বাচনে হানাহানি করল, এখন তো তারা দলীয় ভাবে নির্বাচনে আসছে না, সে দিক দিয়ে তারা চালাকিটা ভালোই করল। নির্বাচনও করছে মারামারিও করছে। উস্কেও দিচ্ছে, আবার বিজয়ীকে সমর্থন দিয়ে আরেকটা মারামারি বাঁধিয়ে দিচ্ছে। কাজেই সেটাও দেখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো প্রাণহানি হোক, এটা আমরা কখনও চাই না। এটা হওয়া উচিৎ না। এটা যেখানে যেখানে ঘটেছে সেখানে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি, সেটা কিন্তু আমরা রক্ষা করে যাচ্ছি।’

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত