নাগরপুর-দেলদুয়ারের বন্যার্ত অসহায় মানুষের পাশে সাংসদ

2402

Published on আগস্ট 2, 2020
  • Details Image

টাঙ্গাইলের যমুনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলায় ভয়াবহ বন্যায় বানভাসীদের দূর্ভোগ বেড়েই চলেছে। ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে তলিয়ে থাকায় বিপাকে পড়েছে দুই উপজেলার ২০ টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক পানিবন্দি মানুষ।

দুই দফা বন্যায় নাকাল হয়ে পড়েছে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ। এসব মানুষের মাঝে খাবার, গো-খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষরা। তারা দীর্ঘদিন কর্মহীন হয়ে থাকায় অর্থের অভাবে খাবার সংগ্রহ করতে পারছেনা।

বন্যা দূর্গত এলাকার অসহায় মানুষের দূর্ভোগ কমাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে নৌকায় করে পানিবন্দী মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।

নাগরপুর উপজেলার যমুনা নদী ভাঙ্গন কবলিত সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইকশা-মাইঝাইলের ভাঙ্গন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন আহসানুল ইসলাম টিটু, এসময় তিনি ভাঙ্গনপীড়িত, সহায় সম্বলহারা মানুষের কথা শোনেন, সবসময় তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে ভাঙ্গন প্রতিরক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পরে তিনি নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

বন্যার্তদের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণের সময় আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, নাগরপুর-দেলদুয়ারের প্রতিটি বন্যার্ত পরিবারকে ত্রাণের আওতায় আনা হবে। বন্যার্ত কোন পরিবারই অভুক্ত থাকবে না। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে প্রায়শই প্রাকৃতিক দূর্যোগ দেখা দেয়। আর এই দূর্যোগকে মোকাবিলা করেই এ দেশের মানুষ বেচেঁ থাকে। সকল দূর্যোগে যিনি সর্বদা অসহায় মানুষের পাশে থাকেন তিনি আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সফল নেতৃত্বের ফলেই আমরা সকল দূর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি।

এবারও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুঃখ-দূর্দশা লাঘবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।

ইতিমধ্যে নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার ২০ টি ইউনিয়নের বন্যার্ত মানুষের মাঝে ১৬০ মেট্রিক টন চালের সাথে শুকনো খাবার হিসেবে চিঁড়া, বিস্কুট, ডান, তেল ইত্যাদি এবং শিশু খাদ্য হিসেবে গুড়ো দুধ, সুজি, চিনি ও নুডলস বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া নতুন করে দুই উপজেলার বন্যার্ত মানুষের জন্য ১০০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ টাকার শিশুখাদ্য ও ২ লাখ টাকার গোখাদ্য বরাদ্দ হয়েছে।

এবং ঈদুল আযহা'র আগে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় আমরা নাগরপুর উপজেলার ১৬ হাজার এবং দেলদুয়ার উপজেলার ১৩ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেছি।

যারা এখনও খাদ্য সহায়তা পাননি তারাও দ্রুত ত্রাণের আওতায় চলে আসবেন। আপনারা ধৈর্য্য ধরে এ দূযোর্গকে মোকাবেলা করুন আমরা আপনাদের পাশে আছি, ইনশাআল্লাহ।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত