দেবিদ্বারে সাংসদের উদ্যোগে ১০ শয্যার কভিড ইউনিট ১৫ লাখ লোকের ভরসা

1069

Published on জুলাই 19, 2021
  • Details Image

কুমিল্লা জেলা সদর থেকে ২৭ কিলোমিটার উত্তরে দেবিদ্বার উপজেলা। ওই উপজেলা ছাড়াও অবস্থানগত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে পাশের উপজেলা চান্দিনা, মুরাদনগর, বুড়িচং, হোমনা, ব্রাহ্মহ্মহ্মণপাড়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুটি, কসবা ও নবীনগর উপজেলার অন্তত ১৫ লাখ লোকের সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি কভিড রোগীর ভরসাস্থল এখন দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০ শয্যার ইউনিট। এখানে ১০ জনের অধিক রোগী ভর্তি রাখা হচ্ছে না। করোনা চিকিৎসায় আইসোলেশন টিম, পোস্ট কভিড কেয়ার টিম ও টেলিমেডিসিন টিম কাজ করছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজারের বেশি সন্দেহভাজন এবং কনফার্মড কভিড রোগীর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে এখানে ইতোমধ্যে ৪টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। দুটি গবেষণা এখনও চলমান।

সংশ্নিষ্টরা জানান, এ হাসপাতালে করোনা আইসোলেশন টিম যাত্রা শুরু করে ২০২০ সালের ২৪ এপ্রিল। বর্তমানে (১৭ জুলাই) শুধু দেবিদ্বার উপজেলায়ই করোনা রোগীর সংখ্যা ৯৩৪। উপজেলা পর্যায়ে করোনা রোগীদের ওপর প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালিত হয় দেবিদ্বারে। দেবিদ্বারের সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের সহায়তায় দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলায় ১০ বেডের করোনা আইসোলেশন ইউনিট চালু হয়। এখানে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটর যুক্ত করা হয়েছে। দেবিদ্বারের বাইরেও হাসপাতালটির অবস্থানগত কারণে পাশের কয়েকটি উপজেলার বাসিন্দাদের এখানে পোস্ট কভিড ক্লিনিক ৩০০-এর অধিক কভিড-পরবর্তী জটিলতার রোগীর সেবা দিয়েছে। করোনা চিকিৎসার সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ কবীর। আইসোলেশন, গবেষণা ও পোস্ট কভিড টিম সমন্বয়ক ডা. চিন্ময় সাহা পোদ্দার ও ডা. নন্দিনী চৌধুরী। টেলিমেডিসিন সমন্বয়ক ডা. মহিম ইবনে সিনা। এ ছাড়া চিকিৎসা সেবায় রয়েছে আরও ১৬ জন চিকিৎসক। হাসপাতালের টিম সমন্বয়ক ডা. চিন্ময় সাহা পোদ্দার সমকালকে বলেন, উপজেলা পর্যায়ে করোনা রোগীদের ওপর প্রথম বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালিত হয় দেবিদ্বারে।

চিকিৎসাসেবার বিষয়ে ১৮ জুলাই উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহমেদ কবীর বলেন, জেলা সদরের দুটি সরকারি হাসপাতালে কভিড রোগীদের অত্যন্ত চাপ। কভিড রোগীদের অন্যতম চাহিদা অক্সিজেন সাপোর্ট। দেবিদ্বারে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকলেও কভিড ইউনিটে শয্যা বাড়ানো যাচ্ছে না।

উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন লকডাউন বাস্তবায়নে মানুষকে সচেতন করতে স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহে হ্যালো ছাত্রলীগ এবং বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতি সহায়তা করেছে।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত