মতামত

বন্দিজীবন, মুক্তির আলো

- সোহরাব হাসান ‘শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন এমন ব্যক্তি, যাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা যায় না, এমনকি কল্পনাও করা যায় না। ’ এ রকম মন্তব্যই করেছিলেন ১৯৭২ সালে তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়া বিদেশি সাংবাদিকেরা। ১৯৭২ সালে পাকিস্তানের জেলখানা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে আসার অব্যবহিত পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয়েকজন বিদেশি সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। এর...

মুক্ত দেশে স্বাধীন নেতা

- জেএন দীক্ষিত নিরাপত্তা পরিষদের মিটিং থেকে ২৪ ডিসেম্বর আমি ফিরে এলাম। ১৯৭২ সালের ৭ জানুয়ারি সকালবেলা আমাদের গোয়েন্দা সূত্র থেকে খবর পেলাম, শেখ মুজিবুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আপাতত জানা যাচ্ছে না এমন এক জায়গায় চলে গেছেন এবং সেখান থেকে ঢাকায় ফেরার বন্দোবস্ত করছেন। পাকিস্তানি ইন্টারন্যাশনাল কলের ওপর নজরদারি করে এবং অন্যান্য সূত্রের বরাতে ওই দিনই বিকেল ...

ক্ষণ গণনার দিন ও উপমহাদেশকে বঙ্গবন্ধুর উপহার

- স্বদেশ রায় আজ ( ১০ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিন থেকে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জম্ম শতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা। ১৯৭২ সালে এইদিন বাংলাদেশের আকাশ ছিল মেঘলা, শীতের জড়তা একটু বেশি করেই এদিন ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষকে আটকে ধরতে পারতো। কিন্তু ১৯৭২ সালে ঘটনা হয়েছিল তার ঠিক উল্টো। বিদেশি প্রতিটি পত্রিকার রিপোর্ট, বাংলাদেশের পত্রিকার রিপোর্ট, বিদেশি সিনিয়র সাংবাদিকদ...

জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন

- তোফায়েল আহমেদ বাঙালি জাতির জীবনে দশই জানুয়ারি চিরস্মরণীয় অনন্য ঐতিহাসিক দিন। ১৯৭২- এর এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মানুষ বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন করে। যদিও ১৯৭১-এর ষোলোই ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়। কিন্তু বাংলার মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। কারণ, যার নেতৃত্বে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, তিনি তখনো ...

ইতিহাসের মোড় ফেরা

- সোহরাব হাসান বাঙালির ইতিহাসে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি উজ্জ্বল একটি তারিখ। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে বাঙালির বিজয় ঘটে। সেদিন এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, ‘এ বিজয় সেদিন পূর্ণতা পাবে, যেদিন আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমা...