খাদ্য উৎপাদন আরো বাড়াতে সচেষ্ট সরকারঃ কৃষিমন্ত্রী

খাদ্যের উৎপাদন আরো বাড়াতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। খাদ্য উৎপাদনের অভূতপূর্ব সাফল্য ধরে রাখতে এবং প্রবৃদ্ধি বেগবান সরকার সচেষ্ট। সোমবার সকালে সরকারি বাসভবন থেকে আমন ও রবি শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও সংস্থাপ্রধানদের সাথে অনলাইন (জুম প্ল্যাটফর্মে) সভায় এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেছেন, করোনার কারণে সম্ভাব্য খাদ্...

কৃষকদের কল্যাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ

বর্তমান পরিস্থিতিতে খাদ্য উৎপাদন-সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে ও কৃষকদের কল্যাণ সাধনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা - গ্রামীণ কৃষকদের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকার একটি তহবিল করা হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝরি চাষিরাএ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫% সুদে ঋণ পাবে। - সারে ভর্তুকি বাবদ আগামী অর্থবছরের বাজেটে ৯০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হবে। - ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ম...

কৃষকদের কল্যাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ

বর্তমান পরিস্থিতিতে খাদ্য উৎপাদন-সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে ও কৃষকদের কল্যাণ সাধনে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।  - গ্রামীণ কৃষকদের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকার একটি তহবিল করা হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝরি চাষিরা এ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫% সুদে ঋণ পাবে। - সারে ভর্তুকি বাবদ আগামী অর্থবছরের বাজেটে ৯০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হবে। - ক্ষতিগ্র...

খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ন বাংলাদেশ

কৃষিখাতে উন্নয়ন খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান এখন দশম। এক ও দুই ফসলি জমি অঞ্চল বিশেষে প্রায় চার ফসলি জমিতে পরিণত করা হয়েছে এবং দেশে বর্তমানে ফসলের নিবিড়তা ১৯৪%। দক্ষিণ অঞ্চলে ভাসমান বেডে চাষাবাদ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সবজি উৎপাদন করা হচ্ছে। সরকার সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ ইত্যাদি খাতে আর্থিক সহযোগিতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। ২০১৮ সালে সা...

কৃষি অর্থনীতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান

নাজনীন বেগমঃ উন্নয়নের ক্রমবর্ধমান ধারায় বাংলাদেশের অব্যাহত সাফল্য দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বেও কর্মযোগ বিকিরণ করছে। সর্ব সাধারণের মৌলিক চাহিদা ও প্রাপ্য অধিকার পূরণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার যে যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে, তা আজ দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট এবং প্রকাশিত। নদীমাতৃক বাংলাদেশের সিংহভাগ অর্থনীতি এখনও কৃষিকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। মাছে-ভাতে বাঙালীর চিরা...

কৃষিখাতে অপার সম্ভাবনার হাতছানি

ড. জাহাঙ্গীর আলম: ষাটের ও সত্তরের দশকে আমাদের কৃষির অবস্থা কেমন ছিল? ভাবতে গেলে খুবই একটা দীনদশা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ঘরে ঘরে ছিল ভাতের অভাব। একজন শ্রমিক সারাদিন কাজ করে যে মজুরি পেত তাতে ৩ কেজি চাল কেনারও সামর্থ্য হতো না। এখন আর সেই অভাবের দিন নেই। যে কৃষক আগে খাদ্য ঘাটতিতে ছিল সে এখন খাদ্যে উদ্বৃত্ত। যে শ্রমিকের দাবি ছিল ৩ কেজি চালের সমান দৈনিক মজুরি, ...

আবার যেন খাদ্যের জন্য হাত পাততে না হয়ঃ কৃষিবিদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, কৃষিবিদদের লক্ষ্য রাখতে হবে বাংলাদেশকে আবার যেন খাদ্যের জন্য কারো কাছে হাত পাততে না হয়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে এবং খাদ্যের জন্য যেন আর কোনদিন বাংলাদেশকে কারো কাছে হাত পাততে না হয়, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’ শেখ...

বোরো ধানের বাম্পার ফলনঃ ড. মো. হুমায়ুন কবীর

গত বছর (২০১৭) হাওরসহ অন্যান্য নি¤œাঞ্চল এবং সেইসঙ্গে সারাদেশে পাহাড়ি ঢল ও আগাম বন্যায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তারপর আবার বোরো ফসলের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আমন ফসলটিও বন্যার কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ফলে দেশে খাদ্যের মজুদে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তার কারণ আমরা দেখেছি ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছাড়ার সময় দেশকে খাদ্যে স্...

ডিজিটাল কৃষিতে বাংলাদেশঃ ড. মো. হুমায়ুন কবীর

ডিজিটাল বাংলাদেশের ছোঁয়া লেগেছে এখন কৃষিতেও। আর এর সুফল পাচ্ছে সরাসরি কৃষক। এখন দেখা যাক কৃষিতে ডিজিটাল ব্যবস্থা আসলে কীভাবে কাজ করছে। কৃষিকে ডিজিটাল করার জন্য কাজ শুরু করেছেন বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার। সেখানে কৃষকদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে একটি কৃষি ইনফরমেশন পোর্টাল বা কৃষি তথ্য বাতায়ন। এটি সাম্প্রতিক সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের কৃষকদের জন্য উদ্ব...

খাদ্য উৎপাদনে বিপুল উন্নতিঃ ড. জাহাঙ্গীর আলম

সম্প্রতি পাঁচটি নতুন ধানের জাত অনুমোদন করেছে জাতীয় কারিগরি কমিটি। এর মধ্যে তিনটি আউশ মৌসুমের আর দুটো বোরো মৌসুমের। এদের গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৪ দশমিক ৫ টন থেকে ৮ টন পর্যন্ত। এর মধ্যে একটি জাত জিংকসমৃদ্ধ উচ্চ ফলনশীল। জীবনকালও স্বল্প। আর একটি জাত উদ্ভাবিত হয়েছে জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে। এ দুটো জাতই বোরো মৌসুমে রোপণযোগ্য। জাতদুটো হলো ব্রি ধান ৮৪ এবং ব্রি ধান ৮৬। ...

  • «
  • »