অপ্রকাশিত সাক্ষাৎকার: বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ জ্ঞাপনে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকা

আসিফ কবীরঃ সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অব্যবহিত পর ইউরোপ সফররত তদানীন্তন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের প্রত্যাশিত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ের বক্তৃতায় প্রসঙ্গক্রমে স্মৃতিচারণায় বলেছেন ড. কামাল এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জার্মানীতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে অনুষ্ঠিত প্রেসকনফারেন্সে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিশাবে হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্র...

বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের উত্তরসূরি শেখ হাসিনা

বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় বাংলার নির্যাতিত নিপীড়িত শোষিত বঞ্চিত মানুষের সুখ-শান্তির জন্য নিজের চাওয়া-পাওয়া, আরাম-আয়েশ বিসর্জন দিয়ে, জেলজুলুম হাজতবাস ইত্যাদিতে নিজেকে বিলীন করে দিতে কার্পণ্য করেননি। অন্যায় অবিচার অত্যাচারের বিরুদ্ধে সব সময় সোচ্চার রয়েছেন। কোন অন্যায় অবিচার মিথ্যার কাছে নতি স্বীকার বা মাথানত করেননি এবং আপোসও করেননি।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড এবং পরবর্তী বাংলাদেশ

ড. মোহাম্মদ হাসান খানঃ হাজার বছরের পরাধীন জাতিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এনে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা। তিনি এ দেশের মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছেন, রক্ত ঝরিয়েছেন। তার বিনিময়ে স্বাধীন দেশে কেউ তার রক্ত ঝরাবে, এটি ছিল তার কাছে সম্পূর্ণ অকল্পনীয় বিষয়। যার কারণে তিনি রাষ্ট্রপতি হয়েও অবাধে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশেছেন, সর্বত্র যাতায়াত করেছেন নির্দ্বিধায়। তার পরিবারে...

বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ও জঙ্গিবাদের উত্থান প্রসঙ্গে

হাসান-উজ-জামানঃ যতকাল রবে পদ্মা-মেঘনা-গৌর-যমুনা বহমান, ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকা- ইতিহাসের বেদনাদায়ক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই ঘৃণ্য, পৈশাচিক ও নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে আমাদের কষ্টার্জিত মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধ রাতারাতি ধ্বংস করে ’৭১-এর পরাজিত পাকিস্তান...

অসংখ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশ পুনর্গঠন শুরু করেন বঙ্গবন্ধু

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফিরেই দ্রুত যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন শুরু করেন এবং সফলভাবে সদ্য স্বাধীন দেশের অর্থনৈতিক এবং অর্থনীতির বাইরের উভয় খাতের গভীরে প্রথিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেন। বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রকাশিত সংবাদপত্রের রিপোর্ট এবং প্রকাশিত গ্রন্থে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক সম্পদের পর্যাপ্ত সহবরাহ, অবকাঠামো পূনন...

বাংলাদেশে আর কোনদিন খুনীদের রাজত্ব আসবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আর কোনদিন খুনীদের রাজত্ব ফিরে না আসার ব্যাপারে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণ আর কোনদিন খুনীদের ক্ষমতায় আসতে দেবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খুনীদের রাজত্ব এ দেশে আর আসবে না, আসতে দেওয়া হবে না। মুজিব আদর্শের প্রতিটি সৈনিককেই এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে চলতে হবে, কোন অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া যাবে না।’ প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী...

জিয়াই ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল হোতা

এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকঃ সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেছেন, তার দুঃখ রয়ে গেল তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার অপরাধে জিয়ার বিচার করতে পারলেন না। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, এমনকি যারা এ মামলার বিবরণী অনুসরণ করেছেন তারা এক বাক্যেই বলতে পারবেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কষ্টি পাথরে প্রমাণিত সত্য। পূর্বে আইনমন্ত্রী এ্য...

পিতা ও কন্যা : ভিন্ন প্রেক্ষিত একই ধারা

শেখর দত্তঃ জাতীয় শোক দিবস সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের বহুমুখী অবদান এবং জাতীয় জীবনে সেই সব অবদানের প্রভাব নিয়ে যত ভাবছি, ততই বিস্মিত হচ্ছি। জাতীয় চেতনার ভ্রুণ সৃষ্টিতে, সেই চেতনার ভিত্তিতে জাতিকে একটি স্বাধীন মানচিত্র উপহার দিতে, হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী বিধ্বস্ত নবজাত দেশে রাষ্ট্রীয় সব প্রতিষ্ঠান গড়তে, জনজীবনকে স্বাভাবিক ও ব...

বঙ্গবন্ধু বাংলার, বঙ্গবন্ধু মানুষের

শাব্বীর রহমানঃ 'যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তার তদন্ত করতে হবে। আর জনগণের প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। তারপর বিবেচনা করে দেখব, আমরা অ্যাসেম্বলিতে বসতে পারব কি, পারব না। এর আগে আমি অ্যাসেম্বলিতে বসতে পারব না। জনগণ আমাকে সে অধিকার দেয় নাই।' এই কথা শেষ হতে না হতেই, তুমুল করতালি আর হর্ষধ্বনিতে ফেটে পড়ছিল বাঁশের লাঠির হাতে ধরে রাখা সংগ্রামী বাঙালি জন...

১৫ই আগস্ট, ব্যক্তি নয় রাষ্ট্রকেই হত্যার চেষ্টা

আবদুল মান্নানঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর ও তাঁর পরিবারের যে ১৭ জন সদস্যকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট হত্যা করা হয়েছিল, তাঁদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। অনেকে মনে করে, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত শত্রুরা তাঁকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। আসলে সেদিন ঘাতকরা শুধু একজন শেখ মুজিবকেই হত্যা করেনি, তাদের লক্ষ্য ছিল একটি রাষ্ট্র...

তিনিই বাংলাদেশ

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.) - ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির কালো অধ্যায়ের সূচনা হয় ১৯৭৫ সালের এই দিনে। বাঙালি পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে এমন সব মানুষের জন্য ১৫ই আগস্ট অত্যন্ত মর্মান্তিক, বেদনাদায়ক ও গ্লানিকর দিবস। গত ৪৩ বছরে যে বিষয়টি বাংলাদেশে প্রমাণিত হয়েছে তা হ...

আমরা কি তাঁর মতো স্বাধীনতার কথা বলতে পারব

তোয়াব খানঃ ১৫ই আগস্ট বাঙালির জীবনের ঘোর অমাবস্যার কলঙ্কময় দিন। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারবর্গসহ নারী-শিশু নির্বিচারে নৃশংসভাবে হত্যা শুধু নয়, বাঙালি জাতিকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। এদিন সকালের বেতার ঘোষণাসহ পরবর্তী প্রতিটি পদক্ষেপে ঘাতকচক্র বাঙালি তথা বাংলাদেশবিরোধী অভিসন্ধির ছাপ সুস্পষ্ট করে রেখেছে। ইসলামিক রিপাবলিক ঘোষণা থেকে শুরু করে জয় বাংলার পরিবর্তে জিন্দাবাদ,...

পাকিস্তানি ভাবাদর্শে ফেরাই ছিল লক্ষ্য

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা সরকারগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের নতুন মাত্রা পাওয়ার তথ্য রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত হাওয়ার্ড বি শ্যাফারের (১৯২৯-২০১৭) জবানিতে। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সালে ঢাকায় রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হাওয়ার্ড বি শ্যাফার ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সময় পাকিস্তানে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সেলর ছিলেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ ...

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ

ড. নিয়াজ আহম্মেদঃ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি নাম, চেতনা ও অধ্যায়। যার জন্ম না হলে হয়তো আমরা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেতাম না। তাঁকে ১৯৭৫ সালে কিছু বিপদগামী সেনা কর্মকর্তা নৃশংসভাবে হত্যা করে। বাঙালি জাতির জন্য একটি দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায় হলো ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় যে ছেলেটির...

আমার মিয়াভাই ও বুজি

শেখ কবির হোসেনঃ আগস্ট মাস আমাদের জীবনে এক বেদনা-বিধুর, শোকের মাস। এই দিনেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের একদল দুর্বৃত্ত বিপথগামী সেনাসদস্য নির্মমভাবে হত্যা করে। পৃথিবীতে যত বাঙালি আছে, প্রত্যেকের জন্য এই মাসটি শোকাবহ বলে আমি মনে করি। এত শোক, এত নিষ্ঠুরতর, কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড দুনিয়ার ইতিহাসে বিরল! আগস্ট মাস এলে বুকের ভেতরটা টনটন করে ওঠে। নিক...

সেই দুঃসময়ের কথা

তোফায়েল আহমেদঃ ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে শাহাদত বরণকারী সবার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে কত কথা কত স্মৃতি আজ মনের চারপাশে ভিড় করে আসে! মনে পড়ে ১৯৭১-এর রক্তঝরা মার্চের ১৭ তারিখের কথা। সেদিন ছিল বঙ্গবন্ধুর ৫২তম জন্মদিন। ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা শেষে দুপুরে ধানমণ্ডির বাসভবনে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘরোয়া আলোচনাকালে এক সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুকে প্রশ্ন করেন- 'আপনা...

আমার জীবনের প্রিয় দুটি শব্দ

রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনঃ আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় দুটি শব্দ হলো বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ। এই শব্দদ্বয় একটি অপরটির পরিপূরক। বঙ্গবন্ধু ছাড়া একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আবির্ভাব যেমন কল্পনাতীত ঠিক একইভাবে আজকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধুর সামগ্রিক চিন্তারই ফসল। আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। ছোটবেলায় জানতে পারি, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির জনক। স্বাধীন বাংলাদেশের রূ...

বঙ্গবন্ধুকে হারানোর দিনঃ শোক পালন করছে জাতি

বছর ঘুরে আবার এসেছে বাংলাদেশের শোকের দিন ১৫ অগাস্ট; গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জাতি পালন করছে জাতির জনককে হারানোর দিনটি। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে।  তার পরিবারের ছয় বছরের শিশু থেকে শুরু করে অন্তঃসত্ত্বা নারীও সেদিন ঘাতকের গুল...

১৫ই আগষ্ট যারা নিহত হয়েছিলেন

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর এ হত্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়। ওই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলতুন্নেছা মুজিব ছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়-স্বজনসহ নিহত হন আরও ২৬ জন। এদের মধ্যে যারা রয়েছেন: শেখ কামালবঙ্গবন্ধুর বড় ছেলেজন্ম: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৫ই ...

রাসেল, রাসেল তুমি কোথায়?

শেখ হাসিনাঃ রাসেল, রাসেল তুমি কোথায়?রাসেলকে মা ডাকে, আসো,খাবে না, খেতে আসো।মা মা মা, তুমি কোথায় মা?মা যে কোথায় গেল--মাকে ছাড়া রাসেল যে ঘুমাতে চায় না ঘুমের সময় মায়ের গলা ধরে ঘুমাতে হবে। মাকে ও মা বলে যেমন ডাক দিত, আবার সময় সময় আব্বা বলেও ডাকত। আব্বা ওর জন্মের পরপরই জেলে চলে গেলেন।৬ দফা দেওয়ার কারণে আব্বাকে বন্দি করল পাকিস্তানি শাসকরা। রাসেলের বয়স তখন...

  • «
  • »