বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনাঃ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান

1017

Published on মে 17, 2020
  • Details Image
    বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনাঃ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গৃহিত স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সমন্বয়ের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ কর্তৃক চীন ও অন্যান্য দেশের সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে 'বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ক্রমান্বয়ে চালু করার সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থাপনা ও পেশার জন্য কারিগরি নির্দেশনা' প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান

১. সম্পূর্ণ কর্ম পরিকল্পনা ও জরুরি পরিকল্পনা থাকতে হবে। সকল ইউনিটের দায়িত্ব নির্ধারণ করতে হবে। কাজ সুসংগঠিত করতে হবে। কার্যপদ্ধতির উন্নতি করতে হবে। জরুরি প্রশিক্ষণগুলো প্রদান করতে হবে।

২. সুরক্ষা সামগ্রী, জীবাণুমুক্তকরণ সামগ্রী ও কোয়ারান্টাইনে প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুদ রাখতে হবে। সকল বিভাগ মিলে একত্রে কাজ করে জীবাণুমুক্তকরণ নিশ্চিত করতে হবে। কোয়ারান্টাইন ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. রোগীদের অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন ও প্রি-রেজিস্ট্রেশনের কাজ করার জন্য উৎসাহিত করতে হবে।

৪. প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ মুখে তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র বা তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং শুধুমাত্র স্বাভাবিক তাপমাত্রার মানুষের প্রবেশাধিকার থাকবে।

৫. সেবা নিতে আসা সকলকে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের পূর্বে মাক্ক পরিধান করতে হবে।

৬. রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের জায়গায় পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল থাকতে হবে।

৭. স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সকল জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে হবে। যথাসময়ে আবর্জনা সরিয়ে ফেলতে হবে। মেঝে ও অন্যান্য জায়গা নিয়মিতভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্তকরণ করে করতে হবে।

৮. প্রধান বিভাগগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুমুক্তকরণ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে (ফিভার ক্লিনিক, জরুরি বিভাগ, আইসোলেশন ওয়ার্ড ইত্যাদি)।

৯. ট্রায়াল এলাকা নির্দিষ্ট করতে হবে যেখানে জীবাণুমুক্তকরণ ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে।

১০. ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল থাকবে। বায়ুর প্রবাহ হবে পরিষ্কার থেকে সংক্রমিত এলাকার দিকে। যেসকল স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সামর্থ্য আছে সেখানে নেগেটিভ প্রেসার ওয়ার্ড ও বায়ু জীবাণুমুক্তকরণ যন্ত্র স্থাপন করা যেতে পারে।

১১. ভিড় যথা সম্ভব কমাতে হবে। লাইনে ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে যাতে হাসপাতাল থেকে কেউ সংক্রমিত না হয়।

১২. স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান বিশেষ কাউকে দায়িত্ব দেবে যারা সঠিকভাবে জীবাণুমুক্তকরন, সঠিক জীবাণুনাশক নির্বাচন, সঠিক জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়া নির্বাচন ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বাস্তবায়ন করবে। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থাকে এ ব্যাপারে কারিগরি নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত