বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনাঃ কৃষিজাত দ্রব্যের বাজার ও গ্রাম্য হাট-বাজার

402

Published on মে 17, 2020
  • Details Image
    বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্দেশনাঃ কৃষিজাত দ্রব্যের বাজার ও গ্রাম্য হাট-বাজার

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় গৃহিত স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং সমন্বয়ের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ কর্তৃক চীন ও অন্যান্য দেশের সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনা অনুসরণ করে 'বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ক্রমান্বয়ে চালু করার সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থাপনা ও পেশার জন্য কারিগরি নির্দেশনা' প্রণয়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

কৃষিজাত দ্রব্যের বাজার ও গ্রাম্য হাট-বাজার

১. কৃষিজাত দ্রব্যের বাজার ও গ্রাম্য হাট-বাজার খুলে দেয়ার আগে মহামারীর সময়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যেমন মাস্ক, জীবাণুনাশক ইত্যাদি সংগ্রহ করুন। আপদকালীন পরিকল্পনা তৈরী করুন। আপদকালীন ডিসপোজাল এলাকা স্থাপন করুন। সকল ইউনিটের জবাবদিহিতা বাস্তবায়ন করুন এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণকে জোরদার করুন।

২. গ্রাম্য হাট-বাজারগুলোকে বাংলাদেশের কোন কোন এলাকার বর্তমান পদ্ধতির মত বড় মাঠে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরিচালনার পদ্ধতি অব্যাহত রাখতে হবে।

৩. কর্মীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করুন। প্রতিদিন কর্মীদের স্বাস্থ্য বিষয়ক অবস্থা নথিভুক্ত করুন এবং যারা অসুস্থতা অনুভব করবে তাদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. প্রতিটি বাজারের প্রবেশ মুখে তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র বা তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং শুধুমাত্র স্বাভাবিক তাপমাত্রার মানুষের প্রবেশাধিকার থাকবে।

৫. বায়ু চলাচল-এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখতে হবে। উন্মুক্ত বানিজ্যিক এলাকা গুলো খোলামেলা এবং বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা এবং বদ্ধ বানিজ্যিক এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৬. বাজারে এলাকা-ভিত্তিক অপারেশন বাস্তবায়ন করতে হবে। বাজারের মুল ব্যবসাকেন্দ্রগুলোকে (যেমন কসাইখানা, প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র) কোয়ারান্টাইন ও সুরক্ষিত রাখতে হবে। বন্য প্রাণীর বিক্রয় নিষিদ্ধ করতে হবে।

৭. বাজার পরিষ্কার রাখতে হবে এবং প্রতিদিনের আবর্জনা পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

৮. পাবলিক টয়লেটগুলো অবশ্যই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং জীবাণুমুক্ত করতে হবে এবং হাত ধোয়ার জন্য সাবান কিংবা লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ-এর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৯. প্রতিদিন বাজার বন্ধের পর সেখানকার মেঝে এবং অন্যান্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম, বাস কাউন্টার জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

১০. গ্রাহকগণ তাদের বিল স্ক্যানিং-এর মাধ্যমে পরিশোধ করবে এবং অবশ্যই কেনাকাটার সময় নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখবে।

১১. বিক্রেতা ও ক্রেতা সকলকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে।

১২. যদি নিশ্চিত কোভিড-১৯ রোগী থাকে তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে জীবাণুমুক্তকরণ করতে হবে। সেই সাথে এয়ার কন্ডিশনিং ও ভেন্টিলেশন সিস্টেমকে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। মূল্যায়ন হওয়ার আগে পুনরায় চালু করা উচিত হবে না।

১৩. মধ্যম ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায়, ব্যাংকগুলোকে তাদের বিজনেস আওয়ার সংক্ষিপ্ত করতে এবং আগত লোকের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে বলতে হবে।

Live TV

আপনার জন্য প্রস্তাবিত